চট্টগ্রাম
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে সম্প্রতি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর, নোয়াখালী ও সিলেট এলাকা পুনরুদ্ধারের উপযুক্ত সময় এসেছে। তার অভিযোগ, দেশভাগের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এসব অঞ্চল পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশাধিকার হারিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নিশিকান্ত দুবের ভাষ্যমতে, এই অঞ্চলগুলো একসময় ত্রিপুরার (টিপরা) রাজ্যের অংশ ছিল।
তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সময়ে ত্রিপুরা রাজপরিবার, বিশেষ করে মহারানি কাঞ্চনপ্রভার সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম এলাকা পাকিস্তানের নিকট হস্তান্তর করা হয়। মহারাজা বীর বিক্রম দেবের মৃত্যুর পর মহারানিকে অন্ধকারে রেখেই এই ভূখণ্ড হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, র্যাডক্লিফ লাইন বা ম্যাকমোহন লাইনের কোন যুক্তিতে এসব অঞ্চল পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছিল?
বিজেপির এই আইনপ্রণেতা মনে করেন, ভারতের ভূখণ্ড হারানোর বিষয়টি কেবল কাশ্মীরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তার দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা অনেক অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। তিনি আরও বলেন, ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থেই চট্টগ্রাম বন্দর, নোয়াখালী ও সিলেট ফিরে পাওয়া প্রয়োজন। চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে সম্প্রতি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর, নোয়াখালী ও সিলেট এলাকা পুনরুদ্ধারের উপযুক্ত সময় এসেছে। তার অভিযোগ, দেশভাগের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এসব অঞ্চল পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশাধিকার হারিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নিশিকান্ত দুবের ভাষ্যমতে, এই অঞ্চলগুলো একসময় ত্রিপুরার (টিপরা) রাজ্যের অংশ ছিল।
তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সময়ে ত্রিপুরা রাজপরিবার, বিশেষ করে মহারানি কাঞ্চনপ্রভার সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম এলাকা পাকিস্তানের নিকট হস্তান্তর করা হয়। মহারাজা বীর বিক্রম দেবের মৃত্যুর পর মহারানিকে অন্ধকারে রেখেই এই ভূখণ্ড হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, র্যাডক্লিফ লাইন বা ম্যাকমোহন লাইনের কোন যুক্তিতে এসব অঞ্চল পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছিল?
বিজেপির এই আইনপ্রণেতা মনে করেন, ভারতের ভূখণ্ড হারানোর বিষয়টি কেবল কাশ্মীরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তার দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা অনেক অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। তিনি আরও বলেন, ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থেই চট্টগ্রাম বন্দর, নোয়াখালী ও সিলেট ফিরে পাওয়া প্রয়োজন। চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুততর হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
