আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দিলে ইসরাইল আজ মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যেত। গত শুক্রবার ফ্লোরিডার নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া নিজের সামরিক পদক্ষেপগুলোর যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, তার শাসনামলে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযান দেশটির পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করেছে, যা শেষ পর্যন্ত ইসরাইলকে অস্তিত্ব সংকটের হাত থেকে রক্ষা করেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আমি যদি ইরানকে সেই সুযোগ দিতাম, তবে বর্তমান বিশ্বে ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যেত না; দেশটি পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যেত।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন একটি স্পর্শকাতর সময়ে সামনে এল, যখন ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক অস্থিরতা নিরসনের চেষ্টার পাশাপাশি দেশটিতে নতুন করে সামরিক অভিযানের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর আগে বৃহস্পতিবার তিনি প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিলেও, সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে আলোচনার পথটিও খোলা রাখার কথা জানিয়েছেন। তবে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দিলে ইসরাইল আজ মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যেত। গত শুক্রবার ফ্লোরিডার নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া নিজের সামরিক পদক্ষেপগুলোর যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, তার শাসনামলে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযান দেশটির পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করেছে, যা শেষ পর্যন্ত ইসরাইলকে অস্তিত্ব সংকটের হাত থেকে রক্ষা করেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আমি যদি ইরানকে সেই সুযোগ দিতাম, তবে বর্তমান বিশ্বে ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যেত না; দেশটি পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যেত।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন একটি স্পর্শকাতর সময়ে সামনে এল, যখন ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক অস্থিরতা নিরসনের চেষ্টার পাশাপাশি দেশটিতে নতুন করে সামরিক অভিযানের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর আগে বৃহস্পতিবার তিনি প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিলেও, সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে আলোচনার পথটিও খোলা রাখার কথা জানিয়েছেন। তবে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।
