আন্তর্জাতিক
প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পেদ্রো আলিয়ানা। শুক্রবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন। এর ঠিক পরপরই অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনাকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দেয় দেশটির কর্তৃপক্ষ। উয়েনো নামক একটি ডিজিটাল ব্যাংকের পতনকে কেন্দ্র করে প্যারাগুয়েতে বড় ধরনের আর্থিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, পেনার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে এবং শনিবার তাকে প্রসিকিউটর কার্যালয়ে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পেনার অপসারণ প্রক্রিয়া ছিল নাটকীয়। তাকে গ্রেপ্তারের ঠিক এক ঘণ্টা আগে সিনেটের সর্বসম্মত ভোটে তিনি অভিশংসিত হন। দেশটির প্রায় অর্ধেক মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান উয়েনোর সঙ্গে পেনার অতীত যোগসূত্র নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন আইনপ্রণেতারা। বৃহস্পতিবার পেনা পদত্যাগের প্রস্তাব দিলেও সিনেট তা প্রত্যাখ্যান করে অভিশংসন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে। এর ফলে ক্ষমতা গ্রহণ করেন আলিয়ানা। ইতোমধ্যে পেনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও চিফ অব স্টাফ পদত্যাগ করেছেন। একই সাথে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও জারি করা হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।
এই ব্যাংকিং বিপর্যয়ের জেরে প্যারাগুয়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজপথে তীব্র বিক্ষোভ করছেন আমানতকারী ও পেনশনাররা, যারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে জড়ো হয়ে তাদের সঞ্চয় ফেরতের দাবি জানাচ্ছেন। পেনা সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করলেও, তার বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত এবং পেনশন তহবিল সরানোর মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে প্যারাগুয়ের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার ব্রাজিল এ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা সামাজিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পেদ্রো আলিয়ানা। শুক্রবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন। এর ঠিক পরপরই অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনাকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দেয় দেশটির কর্তৃপক্ষ। উয়েনো নামক একটি ডিজিটাল ব্যাংকের পতনকে কেন্দ্র করে প্যারাগুয়েতে বড় ধরনের আর্থিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, পেনার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে এবং শনিবার তাকে প্রসিকিউটর কার্যালয়ে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পেনার অপসারণ প্রক্রিয়া ছিল নাটকীয়। তাকে গ্রেপ্তারের ঠিক এক ঘণ্টা আগে সিনেটের সর্বসম্মত ভোটে তিনি অভিশংসিত হন। দেশটির প্রায় অর্ধেক মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান উয়েনোর সঙ্গে পেনার অতীত যোগসূত্র নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন আইনপ্রণেতারা। বৃহস্পতিবার পেনা পদত্যাগের প্রস্তাব দিলেও সিনেট তা প্রত্যাখ্যান করে অভিশংসন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে। এর ফলে ক্ষমতা গ্রহণ করেন আলিয়ানা। ইতোমধ্যে পেনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও চিফ অব স্টাফ পদত্যাগ করেছেন। একই সাথে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও জারি করা হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।
এই ব্যাংকিং বিপর্যয়ের জেরে প্যারাগুয়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজপথে তীব্র বিক্ষোভ করছেন আমানতকারী ও পেনশনাররা, যারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে জড়ো হয়ে তাদের সঞ্চয় ফেরতের দাবি জানাচ্ছেন। পেনা সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করলেও, তার বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত এবং পেনশন তহবিল সরানোর মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে প্যারাগুয়ের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার ব্রাজিল এ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা সামাজিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
