অপরাধ
চট্টগ্রাম মহানগরীর হামজারবাগ এলাকার এক প্রবাসীকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সাব্বির হোসেন সানি নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সানি কুখ্যাত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত। গত আগস্ট মাসে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে তিনি বলেছিলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে দাবি করা অর্থের পরিমাণ ৫০ লাখ থেকে বেড়ে ১ কোটি টাকায় ঠেকবে। সানির চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক ভিডিও ও অডিও রেকর্ড গোয়েন্দা পুলিশের হাতে রয়েছে। এরপর যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না। সাজ্জাদের নাম ব্যবহার করে তিনি ফোন করে ওই প্রবাসীকে বলেছিলেন- ‘একটার মধ্যে যোগাযোগ করবে, ঠিক আছে। চলতি বছরের আগস্টে এমন হুমকি দিয়েছিলেন সানি। উনার কাতারের নম্বরটাতে যোগাযোগ করে ক্লিয়ার করে ফেল। তিনি হার্টের রোগী, আবার মরে-টরে যাবে।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেফতারকৃত সানির বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার সাতবসু এলাকায়। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে। ছোট সাজ্জাদ ও ডেভিড ইমন কারাগারে বন্দি থাকায় বড় সাজ্জাদের হয়ে সানি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন।
পুলিশ জানায়, প্রবাসী মোহাম্মদ ইউসুফের ছেলে মোহাম্মদ শওকতকে ফোন করে সানি চাঁদা দাবি করেন এবং পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার হুমকি দেন। সানি তাকে বলেছিলেন, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে তার পরিবারের যে কোনো একজনের শরীরকে 'বোলতার বাসা' বানিয়ে দেওয়া হবে। বড় সাজ্জাদের নির্দেশনায় বিদেশ থেকে দেশে ফিরে সানি তার দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রতি মাসে বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানান, বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগী বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের টার্গেট করে চাঁদাবাজি করতেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভুক্তভোগীদের বাসাবাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালানো হতো। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অডিও রেকর্ড ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িয়ে পড়েন। এ চক্রের সদস্যরা প্রভাব বিস্তার ও ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের চেষ্টা করতেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম মহানগরীর হামজারবাগ এলাকার এক প্রবাসীকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সাব্বির হোসেন সানি নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সানি কুখ্যাত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত। গত আগস্ট মাসে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে তিনি বলেছিলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে দাবি করা অর্থের পরিমাণ ৫০ লাখ থেকে বেড়ে ১ কোটি টাকায় ঠেকবে। সানির চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক ভিডিও ও অডিও রেকর্ড গোয়েন্দা পুলিশের হাতে রয়েছে। এরপর যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না। সাজ্জাদের নাম ব্যবহার করে তিনি ফোন করে ওই প্রবাসীকে বলেছিলেন- ‘একটার মধ্যে যোগাযোগ করবে, ঠিক আছে। চলতি বছরের আগস্টে এমন হুমকি দিয়েছিলেন সানি। উনার কাতারের নম্বরটাতে যোগাযোগ করে ক্লিয়ার করে ফেল। তিনি হার্টের রোগী, আবার মরে-টরে যাবে।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেফতারকৃত সানির বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার সাতবসু এলাকায়। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে। ছোট সাজ্জাদ ও ডেভিড ইমন কারাগারে বন্দি থাকায় বড় সাজ্জাদের হয়ে সানি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন।
পুলিশ জানায়, প্রবাসী মোহাম্মদ ইউসুফের ছেলে মোহাম্মদ শওকতকে ফোন করে সানি চাঁদা দাবি করেন এবং পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার হুমকি দেন। সানি তাকে বলেছিলেন, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে তার পরিবারের যে কোনো একজনের শরীরকে 'বোলতার বাসা' বানিয়ে দেওয়া হবে। বড় সাজ্জাদের নির্দেশনায় বিদেশ থেকে দেশে ফিরে সানি তার দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রতি মাসে বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানান, বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগী বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের টার্গেট করে চাঁদাবাজি করতেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভুক্তভোগীদের বাসাবাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালানো হতো। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অডিও রেকর্ড ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িয়ে পড়েন। এ চক্রের সদস্যরা প্রভাব বিস্তার ও ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের চেষ্টা করতেন।
