অপরাধ
ছাতিয়ানতলায় চোরের দৌরাত্ম্য থামছেই না! এবার স্কুলের দরজা কেটে চুরি, অফিসে তছনছ, বসে চা পান করে গেল দুর্বৃত্তরা
বাঘারপাড়া প্রতিনিধি:
কড়া ডিউটি, নিরাপত্তার নজরদারি—কোনো কিছুতেই যেন থামছে না ছাতিয়ানতলার চুরির ঘটনা! একের পর এক চুরিতে আতঙ্ক বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। এবার চোরদের টার্গেট ছাতিয়ানতলা প্রি-ক্যাডেট এন্ড চাইল্ড কেয়ার একাডেমি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক জনাব টিপু সুলতান পাবলিক ভয়েসকে জানান, গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা স্কুলের দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখান থেকে পানির মোটর, বাথরুমের সরঞ্জামসহ অফিসের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়। শুধু চুরি করেই ক্ষান্ত হয়নি, তছনছ করেছে আলমারি ও অফিসকক্ষ।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, চুরির পর স্কুলের ভেতরে বসেই চা তৈরি করে পান করে নির্বিঘ্নে চলে গেছে দুর্বৃত্তরা!
প্রশ্ন হচ্ছে, ছাতিয়ানতলায় চোরদের এত সাহস আসে কোথা থেকে?
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই ছাতিয়ানতলা বাজারে চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁকে সাধারণ ক্ষমা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এর কিছুদিনের মধ্যেই আবারও চুরির ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এভাবে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটতে থাকলে ব্যবসায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ নিরাপদ থাকবে কীভাবে?
আমরা কাউকে আগাম অপরাধী বলতে চাই না। কাউকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়ার পক্ষেও নই। তবে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি—
১. ছাতিয়ানতলার ধারাবাহিক চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্ত করতে হবে।
২. জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৩. বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাত্রীকালীন নিরাপত্তা ও টহল জোরদার করতে হবে।
৪. ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
মানবিকতার সুযোগ নিয়ে অপরাধের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
ছাতিয়ানতলা বাজার কি চোরদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে, নাকি এবার থামবে চুরির দৌরাত্ম্য? নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আর কত ঘটনার অপেক্ষা?
আপনার মতামত মন্তব্যে জানান। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে পোস্টটি শেয়ার করুন।
প্রতিবেদন: পাবলিক ভয়েস

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ছাতিয়ানতলায় চোরের দৌরাত্ম্য থামছেই না! এবার স্কুলের দরজা কেটে চুরি, অফিসে তছনছ, বসে চা পান করে গেল দুর্বৃত্তরা
বাঘারপাড়া প্রতিনিধি:
কড়া ডিউটি, নিরাপত্তার নজরদারি—কোনো কিছুতেই যেন থামছে না ছাতিয়ানতলার চুরির ঘটনা! একের পর এক চুরিতে আতঙ্ক বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। এবার চোরদের টার্গেট ছাতিয়ানতলা প্রি-ক্যাডেট এন্ড চাইল্ড কেয়ার একাডেমি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক জনাব টিপু সুলতান পাবলিক ভয়েসকে জানান, গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা স্কুলের দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখান থেকে পানির মোটর, বাথরুমের সরঞ্জামসহ অফিসের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়। শুধু চুরি করেই ক্ষান্ত হয়নি, তছনছ করেছে আলমারি ও অফিসকক্ষ।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, চুরির পর স্কুলের ভেতরে বসেই চা তৈরি করে পান করে নির্বিঘ্নে চলে গেছে দুর্বৃত্তরা!
প্রশ্ন হচ্ছে, ছাতিয়ানতলায় চোরদের এত সাহস আসে কোথা থেকে?
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই ছাতিয়ানতলা বাজারে চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁকে সাধারণ ক্ষমা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এর কিছুদিনের মধ্যেই আবারও চুরির ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এভাবে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটতে থাকলে ব্যবসায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ নিরাপদ থাকবে কীভাবে?
আমরা কাউকে আগাম অপরাধী বলতে চাই না। কাউকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়ার পক্ষেও নই। তবে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি—
১. ছাতিয়ানতলার ধারাবাহিক চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্ত করতে হবে।
২. জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৩. বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাত্রীকালীন নিরাপত্তা ও টহল জোরদার করতে হবে।
৪. ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
মানবিকতার সুযোগ নিয়ে অপরাধের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
ছাতিয়ানতলা বাজার কি চোরদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে, নাকি এবার থামবে চুরির দৌরাত্ম্য? নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আর কত ঘটনার অপেক্ষা?
আপনার মতামত মন্তব্যে জানান। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে পোস্টটি শেয়ার করুন।
প্রতিবেদন: পাবলিক ভয়েস
