চট্টগ্রাম
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের কলাবুনিয়া এলাকায় পাহাড়ি দুই আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুর পৌনে ১টা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষের ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এলাকাটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অঞ্চলটিতে দুই সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই নতুন নয়।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাজেকের চাইলাতলী এলাকায় এই দুই পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় সঞ্জিতা ত্রিপুরা নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষ সাজেকে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় মরিয়া হয়ে ওঠে। এদিকে, স্থানীয়ভাবে জেএসএসকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ১১ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। একদিকে চলমান এই দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ, অন্যদিকে বারবার সশস্ত্র সংঘাত—সব মিলিয়ে সাজেক ও এর আশপাশের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরপর থেকে দুপক্ষই সাজেকে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠে। এদিকে সাজেক এলাকা থেকে জেএসএসকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ১১ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের কলাবুনিয়া এলাকায় পাহাড়ি দুই আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুর পৌনে ১টা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষের ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এলাকাটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অঞ্চলটিতে দুই সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই নতুন নয়।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাজেকের চাইলাতলী এলাকায় এই দুই পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় সঞ্জিতা ত্রিপুরা নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষ সাজেকে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় মরিয়া হয়ে ওঠে। এদিকে, স্থানীয়ভাবে জেএসএসকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ১১ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। একদিকে চলমান এই দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ, অন্যদিকে বারবার সশস্ত্র সংঘাত—সব মিলিয়ে সাজেক ও এর আশপাশের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরপর থেকে দুপক্ষই সাজেকে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠে। এদিকে সাজেক এলাকা থেকে জেএসএসকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ১১ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে।
