সারাদেশসারাদেশ

ধুনটে ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, টয়লেটে লুকিয়ে ছিলেন স্বামী

ধুনটে ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, টয়লেটে লুকিয়ে ছিলেন স্বামী
প্রতীকি ছবি।

বগুড়ার ধুনটে পরকীয়া প্রেমের সন্দেহকে কেন্দ্র করে মুন্নি খাতুন (৩৪) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী নুর সালামকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুন্নি খাতুন শেরপুর উপজেলার মধ্যভাগ গ্রামের মুনজিল শেখের মেয়ে। তিনি ধুনট উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের এশার আলীর ছেলে নুর সালামের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ বছর আগে নুর সালামের সঙ্গে মুন্নি খাতুনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে সাগর ও সূর্য নামে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুন্নির বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় মাতবরদের উদ্যোগে সালিসি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

প্রায় তিন বছর আগে তাঁরা মথুরাপুর গ্রামের পাশের মধুপুর এলাকায় আবু সাইদের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তবে স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত—এমন সন্দেহ থেকে নুর সালাম প্রায়ই তাঁর সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করতেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ঘটনার আগের রাতেও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে আবারও স্ত্রীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি করে নুর সালাম নিজ বাড়ি মথুরাপুরে চলে যান। পরে দুপুরে মুন্নি খাতুন বাড়ির সামনে চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় নুর সালাম ফিরে এসে তাঁকে ঘরের ভেতরে ডেকে নেন। সেখানে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হত্যার পর বাড়ির প্রধান ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে নুর সালাম ঘরের মধ্যে আত্মগোপন করেন। বিষয়টি প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তাঁরা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বারান্দার টিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে। পরে মুন্নি খাতুনের গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পাশের টয়লেট থেকে অভিযুক্ত নুর সালামকে আটক করা হয়।

Public Voice

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


ধুনটে ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, টয়লেটে লুকিয়ে ছিলেন স্বামী

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার ধুনটে পরকীয়া প্রেমের সন্দেহকে কেন্দ্র করে মুন্নি খাতুন (৩৪) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী নুর সালামকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুন্নি খাতুন শেরপুর উপজেলার মধ্যভাগ গ্রামের মুনজিল শেখের মেয়ে। তিনি ধুনট উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের এশার আলীর ছেলে নুর সালামের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ বছর আগে নুর সালামের সঙ্গে মুন্নি খাতুনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে সাগর ও সূর্য নামে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুন্নির বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় মাতবরদের উদ্যোগে সালিসি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

প্রায় তিন বছর আগে তাঁরা মথুরাপুর গ্রামের পাশের মধুপুর এলাকায় আবু সাইদের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তবে স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত—এমন সন্দেহ থেকে নুর সালাম প্রায়ই তাঁর সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করতেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ঘটনার আগের রাতেও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে আবারও স্ত্রীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি করে নুর সালাম নিজ বাড়ি মথুরাপুরে চলে যান। পরে দুপুরে মুন্নি খাতুন বাড়ির সামনে চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় নুর সালাম ফিরে এসে তাঁকে ঘরের ভেতরে ডেকে নেন। সেখানে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হত্যার পর বাড়ির প্রধান ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে নুর সালাম ঘরের মধ্যে আত্মগোপন করেন। বিষয়টি প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তাঁরা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বারান্দার টিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে। পরে মুন্নি খাতুনের গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পাশের টয়লেট থেকে অভিযুক্ত নুর সালামকে আটক করা হয়।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত