গত জুলাই গণহত্যায় সক্রিয় ভাবে অংশ নেয় বাংলাদেশের অন্যতম দল আওয়ামিলীগ ও ছাএলীগ। এই গনহত্যায় আওয়ামিলীগ ও ছাত্রলীগের প্রতিটা কর্মীর মেন্টালি ফিজিক্যালি অংশগ্রহন রয়েছে যা গনমাধ্যমে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ১২ ই মে ২০২৫ সালে সরকারিভাবে আওয়ামিলীগ ও ছাএলীগ বা আওয়ামিলীগের সকল অঙ্গ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামিলীগের সকল অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় হয়ে ওঠে। গত রোজার মাস থেকে এখনো ওপেন মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছে নিষিদ্ধ এই সংগঠনটি।অনেক গুলো ফুটেজ ভাইরাল হয় ইন্টারনেট দুনিয়ায়। যেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ছাএলীগ স্লোগান দিচ্ছে এবং জুলাই যোদ্ধাদের হত্যার হুমকিও দিচ্ছে। এই বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতারা ক্ষুব্ধ। এবং স্থানীয় কয়েকজন নেতা এই বিষয়ে পেসবুক লাইভে এসে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করে আওয়ামিলীগের এই নিষিদ্ধ কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য দাবী জানান। এবং ফটিকছড়িট জামাআতের নেতাকর্মীরা এই বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন
গত জুলাই গণহত্যায় সক্রিয় ভাবে অংশ নেয় বাংলাদেশের অন্যতম দল আওয়ামিলীগ ও ছাএলীগ। এই গনহত্যায় আওয়ামিলীগ ও ছাত্রলীগের প্রতিটা কর্মীর মেন্টালি ফিজিক্যালি অংশগ্রহন রয়েছে যা গনমাধ্যমে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ১২ ই মে ২০২৫ সালে সরকারিভাবে আওয়ামিলীগ ও ছাএলীগ বা আওয়ামিলীগের সকল অঙ্গ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামিলীগের সকল অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় হয়ে ওঠে। গত রোজার মাস থেকে এখনো ওপেন মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছে নিষিদ্ধ এই সংগঠনটি।অনেক গুলো ফুটেজ ভাইরাল হয় ইন্টারনেট দুনিয়ায়। যেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ছাএলীগ স্লোগান দিচ্ছে এবং জুলাই যোদ্ধাদের হত্যার হুমকিও দিচ্ছে। এই বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতারা ক্ষুব্ধ। এবং স্থানীয় কয়েকজন নেতা এই বিষয়ে পেসবুক লাইভে এসে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করে আওয়ামিলীগের এই নিষিদ্ধ কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য দাবী জানান। এবং ফটিকছড়িট জামাআতের নেতাকর্মীরা এই বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন