অপরাধ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলার ২ নম্বর আসামি মেহেদী হাসান মঞ্জু ওরফে মঞ্জুরুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ত্রিশাল উপজেলার কাজীশিমলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. আবুল খায়ের (৫৯), রাজিবপুর ইউনিয়নের রামগোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১ মে ২০২৬ তারিখে সংঘর্ষ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। তাঁদের কেউ কেউ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে মো. খায়রুল ইসলাম রতন, মো. মাসুদ মিয়া ও মো. শহিদ মিয়ার নাম রয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মঞ্জুকে ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলার ২ নম্বর আসামি মেহেদী হাসান মঞ্জু ওরফে মঞ্জুরুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ত্রিশাল উপজেলার কাজীশিমলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. আবুল খায়ের (৫৯), রাজিবপুর ইউনিয়নের রামগোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১ মে ২০২৬ তারিখে সংঘর্ষ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। তাঁদের কেউ কেউ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে মো. খায়রুল ইসলাম রতন, মো. মাসুদ মিয়া ও মো. শহিদ মিয়ার নাম রয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মঞ্জুকে ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
