অপরাধ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. ছোয়াদ নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এক ভ্যানচালকের উপস্থিতি ও তৎপরতায় গুরুতর আহত অবস্থায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের খামারধুপনি গ্রামে, পাঁচগাছি শান্তিরাম মডেল স্কুলের প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে।
আহত ছোয়াদ শ্রীপুর ইউনিয়নের মো. মজিবর রহমানের ছেলে।
অভিযোগ উঠেছে, একই এলাকার মো. কাফিউল ইসলামের ছেলে মো. নাহিদ ইসলাম তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। আহত ছোয়াদ ও অভিযুক্ত নাহিদ উভয়েই শ্রীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং তারা পরস্পরের বন্ধু বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর আহত ছোয়াদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহত ব্যক্তি ও অভিযুক্ত দুজনই বন্ধু বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. ছোয়াদ নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এক ভ্যানচালকের উপস্থিতি ও তৎপরতায় গুরুতর আহত অবস্থায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের খামারধুপনি গ্রামে, পাঁচগাছি শান্তিরাম মডেল স্কুলের প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে।
আহত ছোয়াদ শ্রীপুর ইউনিয়নের মো. মজিবর রহমানের ছেলে।
অভিযোগ উঠেছে, একই এলাকার মো. কাফিউল ইসলামের ছেলে মো. নাহিদ ইসলাম তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। আহত ছোয়াদ ও অভিযুক্ত নাহিদ উভয়েই শ্রীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং তারা পরস্পরের বন্ধু বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর আহত ছোয়াদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহত ব্যক্তি ও অভিযুক্ত দুজনই বন্ধু বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
