সারাদেশসারাদেশ

খুলনায় ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ বিষয়ক সেমিনার

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ শীর্ষক সেমিনার বুধবার (১৭ জুন) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ একটি সম্ভাবনাময় পাইলট উদ্যোগ। কোনো প্রকল্পের ধারণা তৈরি করা সহজ হলেও তা বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ উদ্যোগ সফল করতে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত একটি গ্রামকে কেন্দ্র করে শিল্পভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে গ্রামের নারীরা হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন, কৃষিকাজ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হবে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আসিফুর রহমান এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক এস এম তাফসিরুল ইসলাম আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাইন স্টোর লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা স্বত্বাধিকারী মো. হারুন অর রশীদ।

সেমিনারে বক্তারা জানান, ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামের অব্যবহৃত শ্রমশক্তি ও পতিত জমিকে উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের মধ্যে কর্মমুখী চিন্তা ও অর্থনৈতিক সচেতনতা তৈরি হবে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

এ উদ্যোগের আওতায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং অঞ্চলভিত্তিক বিশেষ পণ্য উৎপাদনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সেমিনারে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ইরুফা সুলতানা, ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসিফ ইকবালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, উদ্যোক্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

Public Voice

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


খুলনায় ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ বিষয়ক সেমিনার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ শীর্ষক সেমিনার বুধবার (১৭ জুন) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ একটি সম্ভাবনাময় পাইলট উদ্যোগ। কোনো প্রকল্পের ধারণা তৈরি করা সহজ হলেও তা বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ উদ্যোগ সফল করতে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত একটি গ্রামকে কেন্দ্র করে শিল্পভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে গ্রামের নারীরা হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন, কৃষিকাজ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হবে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আসিফুর রহমান এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক এস এম তাফসিরুল ইসলাম আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাইন স্টোর লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা স্বত্বাধিকারী মো. হারুন অর রশীদ।

সেমিনারে বক্তারা জানান, ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামের অব্যবহৃত শ্রমশক্তি ও পতিত জমিকে উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের মধ্যে কর্মমুখী চিন্তা ও অর্থনৈতিক সচেতনতা তৈরি হবে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

এ উদ্যোগের আওতায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং অঞ্চলভিত্তিক বিশেষ পণ্য উৎপাদনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সেমিনারে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ইরুফা সুলতানা, ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসিফ ইকবালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, উদ্যোক্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত