সারাদেশসারাদেশ

ধুনটে গৃহবধূকে মারধর ও হাসুয়া দিয়ে আঘাত, থানায় লিখিত অভিযোগ

ধুনটে গৃহবধূকে মারধর ও হাসুয়া দিয়ে আঘাত, থানায় লিখিত অভিযোগ
প্রতীকি ছবি

বগুড়ার ধুনটে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক গৃহবধূকে মারধর, ধারালো হাসুয়া দিয়ে মাথায় আঘাত, পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী মো. খোকন তালুকদার।

অভিযোগকারী খোকন তালুকদার উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের মাধবডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি বাড়িতে অনুপস্থিত থাকার সুযোগে একই গ্রামের মো. আবদুল খালেক (৫০), তাঁর ছেলে মো. সবুজ (৩০) ও স্ত্রী মোছা. আমেনা খাতুন (৪৫) তাঁর বসতবাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁর স্ত্রী মোছা. আন্না খাতুনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।

অভিযোগে বলা হয়, গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা আন্না খাতুনকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে মোছা. আমেনা খাতুনের নির্দেশে তাঁর ছেলে মো. সবুজ হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়ে আন্না খাতুনের মাথার মাঝখানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মো. আবদুল খালেক ওই গৃহবধূর পরনের জামাকাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে ছিঁড়ে ফেলেন এবং শ্লীলতাহানি করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

গৃহবধূর চিৎকার শুনে স্থানীয় আতুল আলী, মোছা. জয়নব খাতুন, মো. রাসেলসহ কয়েকজন প্রতিবেশী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা খোকন তালুকদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগকারীর দাবি।

পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে স্ত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন খোকন তালুকদার। এরপর আহত আন্না খাতুনকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন খোকন তালুকদার।

ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রাজ্জাক শেখ বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে অভিযোগে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধুনটে গৃহবধূকে মারধর ও হাসুয়া দিয়ে আঘাত, থানায় লিখিত অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বগুড়ার ধুনটে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক গৃহবধূকে মারধর, ধারালো হাসুয়া দিয়ে মাথায় আঘাত, পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী মো. খোকন তালুকদার।


অভিযোগকারী খোকন তালুকদার উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের মাধবডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি বাড়িতে অনুপস্থিত থাকার সুযোগে একই গ্রামের মো. আবদুল খালেক (৫০), তাঁর ছেলে মো. সবুজ (৩০) ও স্ত্রী মোছা. আমেনা খাতুন (৪৫) তাঁর বসতবাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁর স্ত্রী মোছা. আন্না খাতুনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।


অভিযোগে বলা হয়, গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা আন্না খাতুনকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে মোছা. আমেনা খাতুনের নির্দেশে তাঁর ছেলে মো. সবুজ হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়ে আন্না খাতুনের মাথার মাঝখানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ছাড়া মো. আবদুল খালেক ওই গৃহবধূর পরনের জামাকাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে ছিঁড়ে ফেলেন এবং শ্লীলতাহানি করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।


গৃহবধূর চিৎকার শুনে স্থানীয় আতুল আলী, মোছা. জয়নব খাতুন, মো. রাসেলসহ কয়েকজন প্রতিবেশী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা খোকন তালুকদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগকারীর দাবি।


পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে স্ত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন খোকন তালুকদার। এরপর আহত আন্না খাতুনকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।


এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন খোকন তালুকদার।


ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রাজ্জাক শেখ বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


তবে অভিযোগে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত