সারাদেশ
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ঘিরে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২২ আগস্ট সন্ধ্যায়। হাসপাতাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নার্স তাসমিয়া সুলতানার সাবেক স্বামী সাজ্জাদ হোসেন শাহিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা শাহিনকে আটক করেন। পরে তিনি চিকিৎসক সুমনুল হকের সঙ্গে তার সাবেক স্ত্রীর কথিত সম্পর্কের কারণে সংসার ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ করেন। এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদির অভিযুক্ত চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সাজ্জাদ হোসেন শাহিনের দাবি, ২০১৪ সালে ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে তাসমিয়া সুলতানাকে তিনি বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে তাসমিয়া ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স হিসেবে যোগ দেন। পারিবারিকভাবে স্ত্রীকে গ্রহণ না করায় তিনি ধুনট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে প্রায় ১৮ লাখ টাকা দিয়ে চার শতক জমি কিনে স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করেন এবং সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাদের সাত বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে।
শাহিনের অভিযোগ, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তাসমিয়া তাকে তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এর পেছনে হাসপাতালের চিকিৎসক সুমনুল হকের সঙ্গে তার কথিত সম্পর্ক ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নার্স তাসমিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, চিকিৎসক সুমনুল হকের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। একজন রোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকদিন চিকিৎসকটির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তার সাবেক স্বামী তাকে সন্দেহ করতেন এবং নির্যাতন করতেন। এ কারণেই তিনি তাকে তালাক দিয়েছেন বলে দাবি করেন তাসমিয়া।
স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সকে ঘিরে অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।
আগের কর্মস্থল নিয়েও অভিযোগ।
চিকিৎসক সুমনুল হকের বিরুদ্ধে আগের কর্মস্থল নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের একটি সূত্র। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক চেয়ারম্যান টি এম আতিকুর রহমানের দাবি, কয়েক বছর আগে কাজিপুরে কর্মরত থাকার সময় সুমনুল হকের বিরুদ্ধে এক নার্স ও এক আয়ার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে জনরোষের মুখেও পড়তে হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে তাকে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছিল বলে জানান আতিকুর রহমান।
এ ছাড়া কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেন উদ্দিনের দাবি, সেখানে কর্মরত অবস্থায় সুমনুল হকের বিরুদ্ধে এক নার্সের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। একই কর্মস্থলের আরও কয়েকজন নার্সকে ঘিরেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বলে তিনি দাবি করেন। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে সুমনুল হককে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয় বলে জানান তিনি।
সুমনুল হকের সাবেক স্ত্রী ডা. মোমেনা পারভীন পারুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সরাসরি বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে খুদে বার্তার মাধ্যমে তিনি সুমনুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন বলে প্রতিবেদককে জানানো হয়েছে।
এদিকে কাজিপুর প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আব্দুল মজিদের অভিযোগ, সুমনুল হকের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলেও কেবল বদলির মাধ্যমে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তিনি এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
চিকিৎসকের দাবি, অভিযোগ ‘পরিকল্পিত’।
অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসক সুমনুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তুলেছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদির বলেন, চিকিৎসক সুমনুল হক ও নার্স তাসমিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বগুড়ার সিভিল সার্জনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অভিযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের পেশাগত আচরণ ও কর্মপরিবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি উঠেছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ঘিরে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২২ আগস্ট সন্ধ্যায়। হাসপাতাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নার্স তাসমিয়া সুলতানার সাবেক স্বামী সাজ্জাদ হোসেন শাহিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা শাহিনকে আটক করেন। পরে তিনি চিকিৎসক সুমনুল হকের সঙ্গে তার সাবেক স্ত্রীর কথিত সম্পর্কের কারণে সংসার ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ করেন। এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদির অভিযুক্ত চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সাজ্জাদ হোসেন শাহিনের দাবি, ২০১৪ সালে ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে তাসমিয়া সুলতানাকে তিনি বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে তাসমিয়া ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স হিসেবে যোগ দেন। পারিবারিকভাবে স্ত্রীকে গ্রহণ না করায় তিনি ধুনট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে প্রায় ১৮ লাখ টাকা দিয়ে চার শতক জমি কিনে স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করেন এবং সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাদের সাত বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে।
শাহিনের অভিযোগ, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তাসমিয়া তাকে তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এর পেছনে হাসপাতালের চিকিৎসক সুমনুল হকের সঙ্গে তার কথিত সম্পর্ক ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নার্স তাসমিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, চিকিৎসক সুমনুল হকের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। একজন রোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকদিন চিকিৎসকটির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তার সাবেক স্বামী তাকে সন্দেহ করতেন এবং নির্যাতন করতেন। এ কারণেই তিনি তাকে তালাক দিয়েছেন বলে দাবি করেন তাসমিয়া।
স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সকে ঘিরে অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।
আগের কর্মস্থল নিয়েও অভিযোগ।
চিকিৎসক সুমনুল হকের বিরুদ্ধে আগের কর্মস্থল নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের একটি সূত্র। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক চেয়ারম্যান টি এম আতিকুর রহমানের দাবি, কয়েক বছর আগে কাজিপুরে কর্মরত থাকার সময় সুমনুল হকের বিরুদ্ধে এক নার্স ও এক আয়ার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে জনরোষের মুখেও পড়তে হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে তাকে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছিল বলে জানান আতিকুর রহমান।
এ ছাড়া কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেন উদ্দিনের দাবি, সেখানে কর্মরত অবস্থায় সুমনুল হকের বিরুদ্ধে এক নার্সের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। একই কর্মস্থলের আরও কয়েকজন নার্সকে ঘিরেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বলে তিনি দাবি করেন। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে সুমনুল হককে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয় বলে জানান তিনি।
সুমনুল হকের সাবেক স্ত্রী ডা. মোমেনা পারভীন পারুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সরাসরি বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে খুদে বার্তার মাধ্যমে তিনি সুমনুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন বলে প্রতিবেদককে জানানো হয়েছে।
এদিকে কাজিপুর প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আব্দুল মজিদের অভিযোগ, সুমনুল হকের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলেও কেবল বদলির মাধ্যমে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তিনি এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
চিকিৎসকের দাবি, অভিযোগ ‘পরিকল্পিত’।
অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসক সুমনুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তুলেছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদির বলেন, চিকিৎসক সুমনুল হক ও নার্স তাসমিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বগুড়ার সিভিল সার্জনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অভিযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের পেশাগত আচরণ ও কর্মপরিবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি উঠেছে।
