অন্যান্য
দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাম রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থেকে বাদ পড়া শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া হাম রোগের প্রধান লক্ষণ।
চিকিৎসকরা জানান, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নির্ধারিত সময়ে এমআর (Measles-Rubella) টিকা গ্রহণ করা। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হয়। অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, কোনো শিশুকে যেন টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রাখা না হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাম প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হাম রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাম রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থেকে বাদ পড়া শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া হাম রোগের প্রধান লক্ষণ।
চিকিৎসকরা জানান, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নির্ধারিত সময়ে এমআর (Measles-Rubella) টিকা গ্রহণ করা। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হয়। অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, কোনো শিশুকে যেন টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রাখা না হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাম প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হাম রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
