অপরাধ
শিক্ষকতার মহান লেবাস পরে যারা পর্দার আড়ালে রাজনৈতিক দালালি ও গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে এবার আপসহীন অবস্থানে যাচ্ছে প্রশাসন। নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইলকে রাজনৈতিক মঞ্চ বানানো এবং ‘গুপ্ত বার্তার’ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিপথে চালিত করা এই তথাকথিত শিক্ষকদের জন্য আইনি খড়গ এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল নৈতিক স্খলন নয়, বরং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা-১৯৭৯’ এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্ক্ষলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮’ এর অধীনে এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পথ প্রশস্ত করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী:
সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে যে, একদল শিক্ষক ক্লাসরুমের চেয়ে ফেসবুকের ইনবক্স এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রাজনৈতিক প্রচারণা চালাতে বেশি সক্রিয়। তারা রাজনৈতিক নেতাদের অনুকরণে পোস্ট দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। প্রশাসনের আইটি সেল এখন এই ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টগুলো ট্র্যাকিং করছে। যারা মনে করছেন ‘গোপন মেসেজ’ দিয়ে পার পেয়ে যাবেন, তাদের মনে রাখা উচিত—ডিজিটাল ফরেনসিকের মাধ্যমে প্রতিটি মুছে ফেলা বার্তাও এখন আইনের আওতায় আনা সম্ভব।
জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যারা শিক্ষকতা করতে এসে রাজনীতির মাঠ গরম করতে চান, তারা আজই পদত্যাগ করে রাজনীতিতে যোগ দিন। শিক্ষকতার চেয়ারে বসে কোনো নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করা শিক্ষকতা পেশার সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। জনপ্রশাসকের কার্যালয় থেকে সাফ জানানো হয়েছে, শিক্ষকদের ব্যক্তিগত আইডির প্রতিটি রাজনৈতিক পোস্ট বা কমেন্ট তাদের আমলনামায় যোগ হচ্ছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি হবে সম্মানজনক বিদায়ে নয়, বরং জেল-জরিমানা ও অপমানজনক বহিষ্কারে।
অভিভাবক ও সচেতন সমাজ মনে করে, এই ‘রাজনৈতিক বিষবৃক্ষ’ উপড়ে না ফেললে শিক্ষা ব্যবস্থা ধসে পড়বে। যারা নিজের প্রোফাইলে শিক্ষক পরিচয়ের চেয়ে দলীয় পরিচয় দিতে বেশি গর্ববোধ করেন, তাদের শিক্ষকতা করার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
শিক্ষকতার মহান লেবাস পরে যারা পর্দার আড়ালে রাজনৈতিক দালালি ও গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে এবার আপসহীন অবস্থানে যাচ্ছে প্রশাসন। নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইলকে রাজনৈতিক মঞ্চ বানানো এবং ‘গুপ্ত বার্তার’ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিপথে চালিত করা এই তথাকথিত শিক্ষকদের জন্য আইনি খড়গ এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল নৈতিক স্খলন নয়, বরং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা-১৯৭৯’ এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্ক্ষলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮’ এর অধীনে এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পথ প্রশস্ত করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী:
সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে যে, একদল শিক্ষক ক্লাসরুমের চেয়ে ফেসবুকের ইনবক্স এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রাজনৈতিক প্রচারণা চালাতে বেশি সক্রিয়। তারা রাজনৈতিক নেতাদের অনুকরণে পোস্ট দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। প্রশাসনের আইটি সেল এখন এই ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টগুলো ট্র্যাকিং করছে। যারা মনে করছেন ‘গোপন মেসেজ’ দিয়ে পার পেয়ে যাবেন, তাদের মনে রাখা উচিত—ডিজিটাল ফরেনসিকের মাধ্যমে প্রতিটি মুছে ফেলা বার্তাও এখন আইনের আওতায় আনা সম্ভব।
জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যারা শিক্ষকতা করতে এসে রাজনীতির মাঠ গরম করতে চান, তারা আজই পদত্যাগ করে রাজনীতিতে যোগ দিন। শিক্ষকতার চেয়ারে বসে কোনো নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করা শিক্ষকতা পেশার সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। জনপ্রশাসকের কার্যালয় থেকে সাফ জানানো হয়েছে, শিক্ষকদের ব্যক্তিগত আইডির প্রতিটি রাজনৈতিক পোস্ট বা কমেন্ট তাদের আমলনামায় যোগ হচ্ছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি হবে সম্মানজনক বিদায়ে নয়, বরং জেল-জরিমানা ও অপমানজনক বহিষ্কারে।
অভিভাবক ও সচেতন সমাজ মনে করে, এই ‘রাজনৈতিক বিষবৃক্ষ’ উপড়ে না ফেললে শিক্ষা ব্যবস্থা ধসে পড়বে। যারা নিজের প্রোফাইলে শিক্ষক পরিচয়ের চেয়ে দলীয় পরিচয় দিতে বেশি গর্ববোধ করেন, তাদের শিক্ষকতা করার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।
