অপরাধঅপরাধ

সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার 'আলি' নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের সন্ধানে র‍্যাব

সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার 'আলি' নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের সন্ধানে র‍্যাব
মাদকসহ গ্রেপ্তার: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও চরবাগডাঙ্গা এলাকার মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা আলি হোসেনকে বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৫। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন আলি হোসেন নামের এক যুবক। স্থানীয় সূত্রমতে, ধৃত আলি হোসেন ওই এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক বলয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই গ্রেপ্তারের পর সীমান্তঘেঁষা গোদাগাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেট বা 'কাফেলা'র বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে।

​অভিযানের বিবরণ

​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ এর একটি চৌকস দল গতরাতে অভিযান চালিয়ে আলিকে বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয়দের দাবি, আলি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। বিশেষ করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণে তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​গোদাগাড়ী কি পরবর্তী গন্তব্য?

​প্রশ্ন উঠেছে, এই মাদকের বিষবাষ্প কি কেবল সদর এলাকাতেই সীমাবদ্ধ, নাকি পার্শ্ববর্তী গোদাগাড়ীতেও এর জাল বিস্তৃত? অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও চরবাগডাঙ্গা থেকে মাদকের রুট সরাসরি গোদাগাড়ীর দুর্গম চরাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত। মাদক ব্যবসায়ীদের এই তথাকথিত ‘কাফেলা’ বা সিন্ডিকেট নদীপথ ব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

​"মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। অপরাধী যেই হোক বা যার পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।" — র‍্যাব মুখপাত্র

​জনমনে আতঙ্ক ও প্রত্যাশা

​আলি হোসেনের গ্রেপ্তারে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও ক্ষোভ কমেনি। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, কেবল বাহকদের ধরলে এই অভিশাপ থেকে মুক্তি মিলবে না; এর নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী 'মাস্টারমাইন্ড'দেরও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। বিশেষ করে গোদাগাড়ী ও সদর উপজেলার সংযোগস্থলগুলোতে নজরদারি না বাড়ালে এই সিন্ডিকেট দমন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

Public Voice

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার 'আলি' নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের সন্ধানে র‍্যাব

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন আলি হোসেন নামের এক যুবক। স্থানীয় সূত্রমতে, ধৃত আলি হোসেন ওই এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক বলয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই গ্রেপ্তারের পর সীমান্তঘেঁষা গোদাগাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেট বা 'কাফেলা'র বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে।

​অভিযানের বিবরণ

​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ এর একটি চৌকস দল গতরাতে অভিযান চালিয়ে আলিকে বিপুল পরিমাণ হেরোইনসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয়দের দাবি, আলি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। বিশেষ করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণে তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​গোদাগাড়ী কি পরবর্তী গন্তব্য?

​প্রশ্ন উঠেছে, এই মাদকের বিষবাষ্প কি কেবল সদর এলাকাতেই সীমাবদ্ধ, নাকি পার্শ্ববর্তী গোদাগাড়ীতেও এর জাল বিস্তৃত? অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও চরবাগডাঙ্গা থেকে মাদকের রুট সরাসরি গোদাগাড়ীর দুর্গম চরাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত। মাদক ব্যবসায়ীদের এই তথাকথিত ‘কাফেলা’ বা সিন্ডিকেট নদীপথ ব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

​"মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। অপরাধী যেই হোক বা যার পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।" — র‍্যাব মুখপাত্র


​জনমনে আতঙ্ক ও প্রত্যাশা

​আলি হোসেনের গ্রেপ্তারে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও ক্ষোভ কমেনি। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, কেবল বাহকদের ধরলে এই অভিশাপ থেকে মুক্তি মিলবে না; এর নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী 'মাস্টারমাইন্ড'দেরও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। বিশেষ করে গোদাগাড়ী ও সদর উপজেলার সংযোগস্থলগুলোতে নজরদারি না বাড়ালে এই সিন্ডিকেট দমন করা কঠিন হয়ে পড়বে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত