সারাদেশসারাদেশ

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নির্ধারণ করল খুলনা সিটি করপোরেশন

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে খুলনা মহানগরীতে গরু ও ছাগলের মাংস, ডিম ও বয়লার মুরগির খুচরা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন। গতকাল বুধবার বিকালে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।


সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিকেজি খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৪০ থেকে ৭৫০ টাকা, ডিম প্রতি হালি ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা এবং বয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে। নির্ধারিত দামের বাইরে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, ভেজাল বা পঁচা খাবার বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।


সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও কেসিসি প্রশাসক মো. মোখতার আহমেদ। তিনি বলেন, রমজান ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ সময় খাদ্য গ্রহণে সংযমী হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির মানসিকতা রাখতে হবে। অন্য মাসের তুলনায় রমজানে কম লাভ হলেও তা সওয়াবের কারণ হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিটি দোকানে দৃশ্যমান স্থানে দৈনিক মূল্যতালিকা টানানো এবং বিক্রির পাকা রশিদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথাও জানানো হয়।


সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব আরিফুল ইসলাম, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর এডিসি (দক্ষিণ) অমিত বর্মন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানসহ নগরীর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Public Voice

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নির্ধারণ করল খুলনা সিটি করপোরেশন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে খুলনা মহানগরীতে গরু ও ছাগলের মাংস, ডিম ও বয়লার মুরগির খুচরা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন। গতকাল বুধবার বিকালে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।


সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিকেজি খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৪০ থেকে ৭৫০ টাকা, ডিম প্রতি হালি ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা এবং বয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে। নির্ধারিত দামের বাইরে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, ভেজাল বা পঁচা খাবার বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।


সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও কেসিসি প্রশাসক মো. মোখতার আহমেদ। তিনি বলেন, রমজান ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ সময় খাদ্য গ্রহণে সংযমী হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির মানসিকতা রাখতে হবে। অন্য মাসের তুলনায় রমজানে কম লাভ হলেও তা সওয়াবের কারণ হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিটি দোকানে দৃশ্যমান স্থানে দৈনিক মূল্যতালিকা টানানো এবং বিক্রির পাকা রশিদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথাও জানানো হয়।


সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব আরিফুল ইসলাম, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর এডিসি (দক্ষিণ) অমিত বর্মন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানসহ নগরীর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত