সারাদেশ
ও ‘ব্রিজ মাস্টার’ খ্যাত বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও দানবীর মোহাম্মদ আলী চৌধুরী (বাদশা চৌধুরী) আর নেই। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য)বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
মোহাম্মদ আলী চৌধুরী ছিলেন সাবেক এমএনএ মরহুম নূরুল হুদা চৌধুরীর চতুর্থ পুত্র।জীবদ্দশায় তিনি দিনাজপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।অর্থাভাবে কোনো শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বা চিকিৎসা যেন থেমে না যায়—এটাই ছিল তাঁর আজীবনের ব্রত।গভীর রাত কিংবা ভোরবেলা,নিজের পকেটের টাকা খরচ করে তিনি সাংবাদিক,সুধীজন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাজের অসংগতির বিরুদ্ধে কথা বলতেন এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।
ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালুর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে সেই কলেজে মাস্টার্স কোর্স চালু, প্রভাষক–অধ্যাপক ও অধ্যক্ষের আবাসন ব্যবস্থা, ছাত্রীদের জন্য হোস্টেল স্থাপনসহ বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগে তিনি ছিলেন অন্যতম অনুপ্রেরণা ও নেপথ্য কারিগর।বয়সের ভার তাঁকে কখনোই দমাতে পারেনি; বরং তাঁর কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্যম দেখে অনেকেই বিস্মিত হতেন।
মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হয়।পরে শনিবার বাদ জোহর ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের নিজ গ্রাম রাজারামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর ইন্তেকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এলাকাবাসীর মতে,মানুষ আয়ু দিয়ে নয়,কর্ম দিয়ে বেঁচে থাকে—মোহাম্মদ আলী চৌধুরীও তাঁর অসামান্য কর্মের মধ্য দিয়েই চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ও ‘ব্রিজ মাস্টার’ খ্যাত বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও দানবীর মোহাম্মদ আলী চৌধুরী (বাদশা চৌধুরী) আর নেই। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য)বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
মোহাম্মদ আলী চৌধুরী ছিলেন সাবেক এমএনএ মরহুম নূরুল হুদা চৌধুরীর চতুর্থ পুত্র।জীবদ্দশায় তিনি দিনাজপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।অর্থাভাবে কোনো শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বা চিকিৎসা যেন থেমে না যায়—এটাই ছিল তাঁর আজীবনের ব্রত।গভীর রাত কিংবা ভোরবেলা,নিজের পকেটের টাকা খরচ করে তিনি সাংবাদিক,সুধীজন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাজের অসংগতির বিরুদ্ধে কথা বলতেন এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।
ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালুর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে সেই কলেজে মাস্টার্স কোর্স চালু, প্রভাষক–অধ্যাপক ও অধ্যক্ষের আবাসন ব্যবস্থা, ছাত্রীদের জন্য হোস্টেল স্থাপনসহ বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগে তিনি ছিলেন অন্যতম অনুপ্রেরণা ও নেপথ্য কারিগর।বয়সের ভার তাঁকে কখনোই দমাতে পারেনি; বরং তাঁর কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্যম দেখে অনেকেই বিস্মিত হতেন।
মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হয়।পরে শনিবার বাদ জোহর ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের নিজ গ্রাম রাজারামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর ইন্তেকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এলাকাবাসীর মতে,মানুষ আয়ু দিয়ে নয়,কর্ম দিয়ে বেঁচে থাকে—মোহাম্মদ আলী চৌধুরীও তাঁর অসামান্য কর্মের মধ্য দিয়েই চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
