ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

নেত্রকোনা-২ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ডাঃ আনোয়ারুল হক

নেত্রকোনা-২ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ডাঃ আনোয়ারুল হক
অধ্যাপক ডাঃ আনোয়ারুল হক বিএনপির মনোনীত প্রার্থী

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে পুরোদমে জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নেত্রকোনা সদর ও বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দোকানগুলোতে চায়ের কাপে জমে উঠেছে নির্বাচন নিয়ে তর্ক-বিতর্কের ঝড়।

 

সারাদেশের মতো নেত্রকোনা-২ আসনেও বিএনপির প্রার্থীসহ অন্যান্য দলের মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে, জনজরীপে শক্তিশালী অবস্থানে আছেন ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক। এই আসনে অন্যান্য দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন:- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের প্রার্থী মো. এনামুল হক, জাতীয় পার্টি’র প্রার্থী এবিএম রফিকুল হক তালুকদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল কাইয়ূম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী  ফাহিম রহমান খান পাঠান ও ইসলামী ঐক্যজোট এর প্রার্থী মো. শরিফ উদ্দিন তালুকদার।

 

এ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে এখন পর্যন্ত নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) নির্বাচনী এলাকার নেত্রকোনা সদরসহ বারহাট্টা উপজেলা সদর ও বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে, শুধু বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকেই। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি নেত্রকোনা-বারহাট্টার প্রতিটি ইউনিয়নে গণসংযোগ, মেডিকেল ক্যাম্প, কর্মী সমাবেশ, উঠান বৈঠক করে এলাকার জনগণের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এসবের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সক্রিয় রয়েছেন, চালাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নির্বাচনে এই আসনে ধানের শীষের কান্ডারী অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হক বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।

 

দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই নেত্রকোনা ও বারহাট্টার প্রতিটি এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা আর ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে চলেছেন। তাছাড়া বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে থাকলেও তাঁদের ভোটারদের কাছে টানতে চেষ্টা করছে বিএনপির মনোনীত এই প্রার্থী।

 

উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সাথে কথা বললে তারা অভিমত প্রকাশ করে জানান,  এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা থাকলেও এবার মানুষের মুখে মুখে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হিসাবে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এবার বিএনপির নিশ্চিত বিজয়ের সম্ভবনা আসন এটি। তাছাড়া এ আসনে বিএনপি মনোনীত অধ্যাপক ডাঃ আনোয়ারুল হক একজন সৎ, যোগ্য, সজ্জন, নির্ভীক, পরপোকারী এবং সর্বজন স্বীকৃত মানুষ। তার ইমেজ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এখানে ধানের শীষ প্রতীকের বিপরীতে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের পরাজয় নিশ্চিত।

 

তারা আরও বলেন, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই ডাঃ আনোয়ারুল হক জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির প্রতিটি সভা-সমাবেশ মিছিল, মিটিং এ নিয়মিত উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের মাঠে ময়দানে সক্রিয় রাখতে ভুমিকা রাখছেন।

 

সচেতন মহলের ধারণা, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বেশিরভাগ ভোটই স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিএনপিতে আসবে। এই হিসেবে যদি ভোট হয় তাহলে বিএনপি এ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে।

 

আসনটিতে জামাতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং এনসিপি প্রার্থীদের সীমিত কার্যক্রম দেখা গেলেও অন্য কোনো দলের কার্যক্রম চোখে পড়ে না।  সাংগঠনিক দিক থেকে এখানে এনসিপির অবস্থান খুবই নাজুক। এখন পর্যন্ত তাদের দলীয় কার্যক্রম নিতান্তই সীমিত।

 

বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী তালুকদার বলেন, নানা ভাগে বিভক্ত বারহাট্টা বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে, সিনিয়র নেতাকর্মীরা সম্মানের সাথে চলতে, দলের মান রাখতে এই আসনটিতে অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হকই সবচাইতে যোগ্য প্রার্থী।

Public Voice

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


নেত্রকোনা-২ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ডাঃ আনোয়ারুল হক

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে পুরোদমে জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নেত্রকোনা সদর ও বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দোকানগুলোতে চায়ের কাপে জমে উঠেছে নির্বাচন নিয়ে তর্ক-বিতর্কের ঝড়।

 

সারাদেশের মতো নেত্রকোনা-২ আসনেও বিএনপির প্রার্থীসহ অন্যান্য দলের মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে, জনজরীপে শক্তিশালী অবস্থানে আছেন ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক। এই আসনে অন্যান্য দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন:- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের প্রার্থী মো. এনামুল হক, জাতীয় পার্টি’র প্রার্থী এবিএম রফিকুল হক তালুকদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল কাইয়ূম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী  ফাহিম রহমান খান পাঠান ও ইসলামী ঐক্যজোট এর প্রার্থী মো. শরিফ উদ্দিন তালুকদার।

 

এ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে এখন পর্যন্ত নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) নির্বাচনী এলাকার নেত্রকোনা সদরসহ বারহাট্টা উপজেলা সদর ও বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে, শুধু বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকেই। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি নেত্রকোনা-বারহাট্টার প্রতিটি ইউনিয়নে গণসংযোগ, মেডিকেল ক্যাম্প, কর্মী সমাবেশ, উঠান বৈঠক করে এলাকার জনগণের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এসবের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সক্রিয় রয়েছেন, চালাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নির্বাচনে এই আসনে ধানের শীষের কান্ডারী অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হক বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।

 

দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই নেত্রকোনা ও বারহাট্টার প্রতিটি এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা আর ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে চলেছেন। তাছাড়া বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে থাকলেও তাঁদের ভোটারদের কাছে টানতে চেষ্টা করছে বিএনপির মনোনীত এই প্রার্থী।

 

উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সাথে কথা বললে তারা অভিমত প্রকাশ করে জানান,  এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা থাকলেও এবার মানুষের মুখে মুখে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হিসাবে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এবার বিএনপির নিশ্চিত বিজয়ের সম্ভবনা আসন এটি। তাছাড়া এ আসনে বিএনপি মনোনীত অধ্যাপক ডাঃ আনোয়ারুল হক একজন সৎ, যোগ্য, সজ্জন, নির্ভীক, পরপোকারী এবং সর্বজন স্বীকৃত মানুষ। তার ইমেজ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এখানে ধানের শীষ প্রতীকের বিপরীতে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের পরাজয় নিশ্চিত।

 

তারা আরও বলেন, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই ডাঃ আনোয়ারুল হক জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির প্রতিটি সভা-সমাবেশ মিছিল, মিটিং এ নিয়মিত উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের মাঠে ময়দানে সক্রিয় রাখতে ভুমিকা রাখছেন।

 

সচেতন মহলের ধারণা, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বেশিরভাগ ভোটই স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিএনপিতে আসবে। এই হিসেবে যদি ভোট হয় তাহলে বিএনপি এ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে।

 

আসনটিতে জামাতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং এনসিপি প্রার্থীদের সীমিত কার্যক্রম দেখা গেলেও অন্য কোনো দলের কার্যক্রম চোখে পড়ে না।  সাংগঠনিক দিক থেকে এখানে এনসিপির অবস্থান খুবই নাজুক। এখন পর্যন্ত তাদের দলীয় কার্যক্রম নিতান্তই সীমিত।

 

বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী তালুকদার বলেন, নানা ভাগে বিভক্ত বারহাট্টা বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে, সিনিয়র নেতাকর্মীরা সম্মানের সাথে চলতে, দলের মান রাখতে এই আসনটিতে অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হকই সবচাইতে যোগ্য প্রার্থী।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত