পরিবেশ ও জলবায়ু
রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে অবস্থিত বিভিন্ন বাথানে শিয়ালের আকস্মিক তাণ্ডবে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে একদল শিয়াল গভীর রাতে বাথানে ঢুকে গরু, মহিষ ও ছাগলের ওপর হামলা চালায়। এতে শতাধিক গবাদিপশু কামড়ে আহত হয়েছে। অনেক পশুর শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে মালিকরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় পড়েছেন।
শিয়াল তাড়াতে গিয়ে দুইজন কৃষকও আহত হন। তাদের হাতে ও পায়ে কামড়ের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, শিয়ালের তাড়া খেয়ে কয়েকজন কৃষক ও রাখাল প্রাণ বাঁচাতে নদীর দিকে দৌড় দেন, কেউ কেউ পানিতে নামতেও বাধ্য হন। আহত কৃষকদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
চরের বাসিন্দারা জানান, আগে কখনো এত বড় আকারে শিয়ালের হামলার ঘটনা ঘটেনি। ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যের সংকট বা প্রাকৃতিক আবাসস্থল নষ্ট হওয়ায় শিয়ালগুলো লোকালয়ে চলে এসেছে। এতে রাতের বেলা বাথানে পাহারা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত বন বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বাথানের নিরাপত্তা জোরদার, শিয়াল আটক বা তাড়ানোর ব্যবস্থা এবং আহত পশু ও কৃষকদের চিকিৎসা সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে অবস্থিত বিভিন্ন বাথানে শিয়ালের আকস্মিক তাণ্ডবে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে একদল শিয়াল গভীর রাতে বাথানে ঢুকে গরু, মহিষ ও ছাগলের ওপর হামলা চালায়। এতে শতাধিক গবাদিপশু কামড়ে আহত হয়েছে। অনেক পশুর শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে মালিকরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় পড়েছেন।
শিয়াল তাড়াতে গিয়ে দুইজন কৃষকও আহত হন। তাদের হাতে ও পায়ে কামড়ের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, শিয়ালের তাড়া খেয়ে কয়েকজন কৃষক ও রাখাল প্রাণ বাঁচাতে নদীর দিকে দৌড় দেন, কেউ কেউ পানিতে নামতেও বাধ্য হন। আহত কৃষকদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
চরের বাসিন্দারা জানান, আগে কখনো এত বড় আকারে শিয়ালের হামলার ঘটনা ঘটেনি। ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যের সংকট বা প্রাকৃতিক আবাসস্থল নষ্ট হওয়ায় শিয়ালগুলো লোকালয়ে চলে এসেছে। এতে রাতের বেলা বাথানে পাহারা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত বন বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বাথানের নিরাপত্তা জোরদার, শিয়াল আটক বা তাড়ানোর ব্যবস্থা এবং আহত পশু ও কৃষকদের চিকিৎসা সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
