সারাদেশ
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের কয়েক দিনের টানা আন্দোলনের পর অবশেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অধিকাংশ পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে এবং কর্মস্থলে যোগ দিতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন পোশাকশ্রমিকরা। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কারখানার সামনে আসার আগেই আন্দোলন দেখে আমরা চলে যেতাম।
এর আগে টানা কয়েক দিনের বিক্ষোভ ও অবরোধের কারণে মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। এ সময় বেশ কিছু স্থানে যানবাহন ও পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। তবে বৃহস্পতিবার সকালে পরিস্থিতি শান্ত থাকায় কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের উপস্থিতিও বেড়েছে। কিছু কারখানা এখনো বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও মহাসড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নামানো হয়েছে বিজিবির ২৫ প্লাটুন সদস্য। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও শিল্পাঞ্চলের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক টহল অব্যাহত রয়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। কাজে যোগ দিতে পেরে শ্রমিকরাও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন; অনেকে জানিয়েছেন যে আগের দিনগুলোতে আন্দোলনের কারণে কারখানায় প্রবেশ করতে পারেননি, তবে এখন কোনো বাধা না থাকায় তারা কাজ শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের কয়েক দিনের টানা আন্দোলনের পর অবশেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অধিকাংশ পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে এবং কর্মস্থলে যোগ দিতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন পোশাকশ্রমিকরা। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কারখানার সামনে আসার আগেই আন্দোলন দেখে আমরা চলে যেতাম।
এর আগে টানা কয়েক দিনের বিক্ষোভ ও অবরোধের কারণে মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। এ সময় বেশ কিছু স্থানে যানবাহন ও পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। তবে বৃহস্পতিবার সকালে পরিস্থিতি শান্ত থাকায় কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের উপস্থিতিও বেড়েছে। কিছু কারখানা এখনো বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও মহাসড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নামানো হয়েছে বিজিবির ২৫ প্লাটুন সদস্য। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও শিল্পাঞ্চলের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক টহল অব্যাহত রয়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। কাজে যোগ দিতে পেরে শ্রমিকরাও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন; অনেকে জানিয়েছেন যে আগের দিনগুলোতে আন্দোলনের কারণে কারখানায় প্রবেশ করতে পারেননি, তবে এখন কোনো বাধা না থাকায় তারা কাজ শুরু করেছেন।
