আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয়ের পেছনে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় ও সামর্থ্যসংকটকে গুরুত্ব না দেওয়াকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা। নির্বাচনে সাধারণ মানুষের এই সংকটগুলো প্রধান ইস্যু হলেও ট্রাম্পের মনোযোগ ছিল হোয়াইট হাউসের বলরুম ও বিজয় স্মারক তোরণ নির্মাণের মতো অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে। তার দলের বেশ কয়েকজন নেতাও এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন যে, ট্রাম্প সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কষ্টের চেয়ে অবকাঠামোগত সৌন্দর্যায়নের দিকে বেশি আগ্রহী ছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে রিফ্লেক্টিং পুলের সৌন্দর্যবর্ধন ও এর সংস্কার নিয়ে ট্রাম্পের বাড়তি আগ্রহ ভোটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ জনগণের সমর্থন কমে যাওয়ার বিষয়টিও ট্রাম্প স্বীকার করেছেন। নির্বাচনে এই যুদ্ধের প্রভাব পড়ার কথা তিনি মেনে নিলেও নিজের নেওয়া পূর্বের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, তিনি অতীতে একই সিদ্ধান্ত নিতেন।
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে জনমনে সৃষ্ট ক্ষোভের বিপরীতে ট্রাম্পের এমন অনমনীয় অবস্থান রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তার উদাসীনতা এবং যুদ্ধ ইস্যুতে ভোটারদের উদ্বেগকে এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি মার্কিন নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয়ের পেছনে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় ও সামর্থ্যসংকটকে গুরুত্ব না দেওয়াকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা। নির্বাচনে সাধারণ মানুষের এই সংকটগুলো প্রধান ইস্যু হলেও ট্রাম্পের মনোযোগ ছিল হোয়াইট হাউসের বলরুম ও বিজয় স্মারক তোরণ নির্মাণের মতো অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে। তার দলের বেশ কয়েকজন নেতাও এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন যে, ট্রাম্প সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কষ্টের চেয়ে অবকাঠামোগত সৌন্দর্যায়নের দিকে বেশি আগ্রহী ছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে রিফ্লেক্টিং পুলের সৌন্দর্যবর্ধন ও এর সংস্কার নিয়ে ট্রাম্পের বাড়তি আগ্রহ ভোটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ জনগণের সমর্থন কমে যাওয়ার বিষয়টিও ট্রাম্প স্বীকার করেছেন। নির্বাচনে এই যুদ্ধের প্রভাব পড়ার কথা তিনি মেনে নিলেও নিজের নেওয়া পূর্বের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, তিনি অতীতে একই সিদ্ধান্ত নিতেন।
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে জনমনে সৃষ্ট ক্ষোভের বিপরীতে ট্রাম্পের এমন অনমনীয় অবস্থান রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তার উদাসীনতা এবং যুদ্ধ ইস্যুতে ভোটারদের উদ্বেগকে এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি মার্কিন নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
