ঢাকাঢাকা

রাজবাড়ীতে মানবপাচারের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাজবাড়ীতে কিশোরকে ফুসলিয়ে নিয়ে পাচারের ঘটনায় দীর্ঘ ১৪ বছর পর দুই আসামির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় নিখোঁজ কিশোরের সন্ধান এখনো মেলেনি।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

রাজবাড়ীতে কিশোরকে ফুসলিয়ে নিয়ে মানবপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত। সোমবার রাজবাড়ী মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. তহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন পাংশা উপজেলার ধুলিয়াট গ্রামের বাসিন্দা মো. রেজাউল মণ্ডল এবং মো. শাহিদুল মিয়া। উভয়ের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার ধুলিয়াট গ্রামে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ১০ মে রাত ১০টার দিকে আসামিরা ফারুক নামের এক কিশোর ও তার খালাতো ভাই আজিজুল ইসলামকে বেড়ানোর কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। ঘটনার ১৭ দিন পর আজিজুল কৌশলে পাচারকারীদের কবল থেকে পালিয়ে ফিরতে পারলেও ফারুক আর ফেরেননি। ঘটনার দীর্ঘ ১৪ বছর পরও নিখোঁজ ফারুককে খুঁজে পায়নি তার পরিবার। মানবপাচারের শিকার ভিকটিম মো. ফারুক ওরফে মারুফকে (১৬) দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে খুঁজে ফিরছে তার পরিবার।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বে ইস্যুকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে সাজার বিষয়টি উল্লেখপূর্বক নতুনভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে প্রতিটি আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, অন্য একটি ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত জানিয়েছেন, উভয় সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আদালত আদেশে উল্লেখ করেছেন যে, উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।

Public Voice

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


রাজবাড়ীতে মানবপাচারের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীতে কিশোরকে ফুসলিয়ে নিয়ে মানবপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত। সোমবার রাজবাড়ী মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. তহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন পাংশা উপজেলার ধুলিয়াট গ্রামের বাসিন্দা মো. রেজাউল মণ্ডল এবং মো. শাহিদুল মিয়া। উভয়ের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার ধুলিয়াট গ্রামে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ১০ মে রাত ১০টার দিকে আসামিরা ফারুক নামের এক কিশোর ও তার খালাতো ভাই আজিজুল ইসলামকে বেড়ানোর কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। ঘটনার ১৭ দিন পর আজিজুল কৌশলে পাচারকারীদের কবল থেকে পালিয়ে ফিরতে পারলেও ফারুক আর ফেরেননি। ঘটনার দীর্ঘ ১৪ বছর পরও নিখোঁজ ফারুককে খুঁজে পায়নি তার পরিবার। মানবপাচারের শিকার ভিকটিম মো. ফারুক ওরফে মারুফকে (১৬) দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে খুঁজে ফিরছে তার পরিবার।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বে ইস্যুকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে সাজার বিষয়টি উল্লেখপূর্বক নতুনভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে প্রতিটি আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, অন্য একটি ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত জানিয়েছেন, উভয় সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আদালত আদেশে উল্লেখ করেছেন যে, উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত