ঢাকা
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। রোববার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মৌচাক, সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় চরম দুর্ভোগের শিকার হন। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে এবং এ সময় পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও শিল্প পুলিশের পাশাপাশি টাঙ্গাইল থেকে অতিরিক্ত ৩০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফকরুল হোসাইন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির তিন প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি, শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। বিকেলে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয় এবং যানবাহন চলাচল শুরু করে। তবে শিল্পাঞ্চল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম জানান, শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য সরকার ইতিমধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। রোববার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মৌচাক, সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় চরম দুর্ভোগের শিকার হন। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে এবং এ সময় পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও শিল্প পুলিশের পাশাপাশি টাঙ্গাইল থেকে অতিরিক্ত ৩০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফকরুল হোসাইন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির তিন প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি, শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। বিকেলে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয় এবং যানবাহন চলাচল শুরু করে। তবে শিল্পাঞ্চল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম জানান, শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য সরকার ইতিমধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
