যুক্তরাজ্যযুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসার আর্থিক শর্তে পরিবর্তন আসছে নভেম্বরে

আসন্ন ৩০ নভেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয় ও ব্যাংক ব্যালেন্স প্রদর্শনের নতুন নিয়ম কার্যকর হতে যাচ্ছে।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার পরিকল্পনা করা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে নতুন নিয়ম। দেশটির সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার খরচ প্রদর্শনের শর্তে পরিবর্তন আসছে। এর ফলে দেশটিতে পড়াশোনা করতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আগের তুলনায় বেশি তহবিল দেখাতে হবে। যুক্তরাজ্যে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এমন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় খবর নিয়ে এসেছে দেশটির সরকার। সহজ কথায় বলতে গেলে, এখন থেকে যুক্তরাজ্যে টিকে থাকতে হলে পকেটে আগের চেয়ে একটু বেশি টাকা থাকতে হবে। কী কী পরিবর্তন আসছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এর মানে কী, চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক। তাই যুক্তরাজ্যে যাওয়ার মোট বাজেট কষার সময় এই সবগুলো হিসাব আলাদা করে মাথায় রাখতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, লন্ডনের ভেতরে পড়াশোনার পরিকল্পনা থাকলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাবদ প্রতি মাসে ১,৫২৯ পাউন্ডের পরিবর্তে ১,৫৭০ পাউন্ড দেখাতে হবে। সাধারণত সর্বোচ্চ নয় মাসের হিসাব দেখাতে হয় বিধায় ১৩,৭৬১ পাউন্ডের জায়গায় এখন ১৪,১৮০ পাউন্ডের প্রমাণ দিতে হবে। এতে লন্ডনের ভেতরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক খরচ ৩৬৯ পাউন্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে লন্ডনের বাইরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে ১,১৭১ পাউন্ডের পরিবর্তে ১,২০৩ পাউন্ড হিসাব দেখাতে হবে। ফলে ৯ মাসের হিসাবে এই অঙ্ক ১০,৫৩৯ পাউন্ড থেকে বেড়ে ১০,৮২৭ পাউন্ড হবে এবং বার্ষিক বাড়তি খরচ দাঁড়াবে ২৮৮ পাউন্ড। সব মিলিয়ে এক বছরে আপনার খরচ বাড়ছে ৩৬৯ পাউন্ড।

উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার এই বর্ধিত ব্যয়ের হিসাবটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার রাখা ভালো—জীবনযাত্রার এই বাড়তি খরচ কিন্তু আপনার ইউনিভার্সিটির টিউশন ফির সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।

টিউশন ফি সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিশোধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে যুক্ত হবে ভিসার আবেদন ফি ও হেলথ সারচার্জ। আগামী ৩০ নভেম্বর বা তার পরে যারা ভিসার আবেদন করবেন, শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই এই নতুন আর্থিক শর্ত প্রযোজ্য হবে। আবেদন করার পূর্বে এই পুরো অর্থ শিক্ষার্থীর নিজের কিংবা বাবা-মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টানা ২৮ দিন জমা থাকতে হবে। এছাড়া ব্যাংক ব্যালেন্সের বিকল্প হিসেবে স্টুডেন্ট লোন বা অফিশিয়াল স্পনসরশিপের কাগজও ব্যবহার করা যাবে। তবে কেউ যদি ইতোমধ্যে বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে বসবাস করে থাকেন, তবে তাদের নতুন করে এই আর্থিক প্রমাণ প্রদর্শনের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়াও আপনি চাইলে স্টুডেন্ট লোন বা অফিশিয়াল কোনো স্পনসরশিপের কাগজপত্রের ওপর ভরসা করতে পারেন।

Public Voice

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসার আর্থিক শর্তে পরিবর্তন আসছে নভেম্বরে

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার পরিকল্পনা করা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে নতুন নিয়ম। দেশটির সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার খরচ প্রদর্শনের শর্তে পরিবর্তন আসছে। এর ফলে দেশটিতে পড়াশোনা করতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আগের তুলনায় বেশি তহবিল দেখাতে হবে। যুক্তরাজ্যে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এমন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় খবর নিয়ে এসেছে দেশটির সরকার। সহজ কথায় বলতে গেলে, এখন থেকে যুক্তরাজ্যে টিকে থাকতে হলে পকেটে আগের চেয়ে একটু বেশি টাকা থাকতে হবে। কী কী পরিবর্তন আসছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এর মানে কী, চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক। তাই যুক্তরাজ্যে যাওয়ার মোট বাজেট কষার সময় এই সবগুলো হিসাব আলাদা করে মাথায় রাখতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, লন্ডনের ভেতরে পড়াশোনার পরিকল্পনা থাকলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাবদ প্রতি মাসে ১,৫২৯ পাউন্ডের পরিবর্তে ১,৫৭০ পাউন্ড দেখাতে হবে। সাধারণত সর্বোচ্চ নয় মাসের হিসাব দেখাতে হয় বিধায় ১৩,৭৬১ পাউন্ডের জায়গায় এখন ১৪,১৮০ পাউন্ডের প্রমাণ দিতে হবে। এতে লন্ডনের ভেতরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক খরচ ৩৬৯ পাউন্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে লন্ডনের বাইরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে ১,১৭১ পাউন্ডের পরিবর্তে ১,২০৩ পাউন্ড হিসাব দেখাতে হবে। ফলে ৯ মাসের হিসাবে এই অঙ্ক ১০,৫৩৯ পাউন্ড থেকে বেড়ে ১০,৮২৭ পাউন্ড হবে এবং বার্ষিক বাড়তি খরচ দাঁড়াবে ২৮৮ পাউন্ড। সব মিলিয়ে এক বছরে আপনার খরচ বাড়ছে ৩৬৯ পাউন্ড।

উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার এই বর্ধিত ব্যয়ের হিসাবটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার রাখা ভালো—জীবনযাত্রার এই বাড়তি খরচ কিন্তু আপনার ইউনিভার্সিটির টিউশন ফির সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।

টিউশন ফি সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিশোধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে যুক্ত হবে ভিসার আবেদন ফি ও হেলথ সারচার্জ। আগামী ৩০ নভেম্বর বা তার পরে যারা ভিসার আবেদন করবেন, শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই এই নতুন আর্থিক শর্ত প্রযোজ্য হবে। আবেদন করার পূর্বে এই পুরো অর্থ শিক্ষার্থীর নিজের কিংবা বাবা-মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টানা ২৮ দিন জমা থাকতে হবে। এছাড়া ব্যাংক ব্যালেন্সের বিকল্প হিসেবে স্টুডেন্ট লোন বা অফিশিয়াল স্পনসরশিপের কাগজও ব্যবহার করা যাবে। তবে কেউ যদি ইতোমধ্যে বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে বসবাস করে থাকেন, তবে তাদের নতুন করে এই আর্থিক প্রমাণ প্রদর্শনের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়াও আপনি চাইলে স্টুডেন্ট লোন বা অফিশিয়াল কোনো স্পনসরশিপের কাগজপত্রের ওপর ভরসা করতে পারেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত