সিলেট
সুনামগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। রোববার (১ নভেম্বর) বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ। আইনি সকল প্রক্রিয়া শেষ করে আটককৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত হলেন সুনামগঞ্জ পৌর শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (২০)। এছাড়া গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন—তার বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী (৪৬), মা শাম্মী আক্তার পলি (৩৮), ভাই দেওয়ান শাহরিয়ার চৌধুরী পিয়াল (২০) ও বোন সাবরিনা চৌধুরী রূপকথা (১৬)। এই পরিবারের পাশাপাশি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের ইফাত আলম রাবিদ (২১), ছাতকের জালালপুর গ্রামের কাওছার আহমদ সোহাগ (২১) এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাদেশ্বর গ্রামের তাকবির রহমান তানহির (২০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে ইফাত আলম রাবিদ (২১), ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে কাওছার আহমদ সোহাগ (২১) এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেশ্বর গ্রামের ওলিওর রহমান মানিকের ছেলে তাকব।
পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর গভীর রাতে নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে প্রথমে দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানায় নিয়ে আসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। থানায় আনার কিছু সময় পর তিনি অসুস্থ বোধ করলে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলে। তবে হাসপাতাল চলাকালীন গত বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে দায়িত্বরত পুলিশের ওপর হঠাৎ হামলা চালান। এ সময় চরম বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে প্রিন্স পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান।
পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। সেই মামলার ধারাবাহিক তদন্তে ও অভিযানে গ্রেপ্তার আটজনকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রোববার আদালতে পাঠানো হয়।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। রোববার (১ নভেম্বর) বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ। আইনি সকল প্রক্রিয়া শেষ করে আটককৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত হলেন সুনামগঞ্জ পৌর শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (২০)। এছাড়া গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন—তার বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী (৪৬), মা শাম্মী আক্তার পলি (৩৮), ভাই দেওয়ান শাহরিয়ার চৌধুরী পিয়াল (২০) ও বোন সাবরিনা চৌধুরী রূপকথা (১৬)। এই পরিবারের পাশাপাশি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের ইফাত আলম রাবিদ (২১), ছাতকের জালালপুর গ্রামের কাওছার আহমদ সোহাগ (২১) এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাদেশ্বর গ্রামের তাকবির রহমান তানহির (২০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে ইফাত আলম রাবিদ (২১), ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে কাওছার আহমদ সোহাগ (২১) এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেশ্বর গ্রামের ওলিওর রহমান মানিকের ছেলে তাকব।
পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর গভীর রাতে নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে প্রথমে দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানায় নিয়ে আসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। থানায় আনার কিছু সময় পর তিনি অসুস্থ বোধ করলে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলে। তবে হাসপাতাল চলাকালীন গত বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে দায়িত্বরত পুলিশের ওপর হঠাৎ হামলা চালান। এ সময় চরম বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে প্রিন্স পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান।
পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। সেই মামলার ধারাবাহিক তদন্তে ও অভিযানে গ্রেপ্তার আটজনকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রোববার আদালতে পাঠানো হয়।
