ক্রিকেট
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ২০২৫-২৭ চক্রে পয়েন্ট তালিকায় বড় ধরনের রদবদল ঘটেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ হার এবং ঢাকার মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাংলাদেশের পরাজয়ের পর শীর্ষ তিন ও নিচের ছয়টি দলের মধ্যকার ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার হারের সুযোগে নিউজিল্যান্ড পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। অন্যদিকে কেপ টাউনে জয় পেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭১.৪৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে, ফলে শীর্ষ দুইয়ের বাইরে চলে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট তালিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।
সাম্প্রতিক ফলাফলের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অবস্থান পয়েন্ট তালিকায়। বাংলাদেশ চার নম্বর স্থান থেকে নেমে এখন পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছে। চলতি চক্রে ৭টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ৪০ পয়েন্ট, যেখানে তাদের পয়েন্টের হার ৪৭.৬২ শতাংশ। তবে এই অবস্থান সত্ত্বেও কাগজ-কলমে বাংলাদেশের সামনে ফাইনাল খেলার সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ডব্লিউটিসির ফাইনালের টিকিট পেতে হলে দলকে অত্যন্ত জটিল ও কঠিন এক সমীকরণ মেলাতে হবে। তাদের পয়েন্ট এখন ৭ ম্যাচ শেষে ৪০। এখনও কাগজে কলমে দলটির ফাইনালের আশা টিকে আছে।
এই চক্রে বাংলাদেশের সামনে এখনো ৫টি ম্যাচ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দুটি এবং নিজেদের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচ রয়েছে। ফাইনালের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশকে এই বাকি পাঁচ ম্যাচের প্রতিটিতে জয়লাভ করতে হবে। দল যদি সবকটি ম্যাচে জয় পায়, তবে পয়েন্টের হার দাঁড়াবে ৬৫ শতাংশের ওপরে। কিন্তু একটি ম্যাচে হেরে গেলেই পয়েন্টের হার নেমে আসবে ৬১ শতাংশে, যা প্রথম দুইয়ে থাকার জন্য যথেষ্ট হবে না।
কাগজ-কলমে হিসাবটি গাণিতিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তবতার নিরিখে তা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এই সমীকরণ মেলাতে হলে বাংলাদেশকে দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে গিয়ে তাদের হোয়াইটওয়াশ করতে হবে, অথচ ইতিহাস বলছে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কোনো টেস্ট জিততে পারেনি। পাশাপাশি দেশের মাঠে শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় নিয়ে সিরিজ ড্র করা আবশ্যক। এই কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করে বাংলাদেশ কতদূর এগোতে পারে, সেটিই এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মূল দেখার বিষয়।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ২০২৫-২৭ চক্রে পয়েন্ট তালিকায় বড় ধরনের রদবদল ঘটেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ হার এবং ঢাকার মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাংলাদেশের পরাজয়ের পর শীর্ষ তিন ও নিচের ছয়টি দলের মধ্যকার ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার হারের সুযোগে নিউজিল্যান্ড পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। অন্যদিকে কেপ টাউনে জয় পেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭১.৪৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে, ফলে শীর্ষ দুইয়ের বাইরে চলে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট তালিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।
সাম্প্রতিক ফলাফলের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অবস্থান পয়েন্ট তালিকায়। বাংলাদেশ চার নম্বর স্থান থেকে নেমে এখন পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছে। চলতি চক্রে ৭টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ৪০ পয়েন্ট, যেখানে তাদের পয়েন্টের হার ৪৭.৬২ শতাংশ। তবে এই অবস্থান সত্ত্বেও কাগজ-কলমে বাংলাদেশের সামনে ফাইনাল খেলার সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ডব্লিউটিসির ফাইনালের টিকিট পেতে হলে দলকে অত্যন্ত জটিল ও কঠিন এক সমীকরণ মেলাতে হবে। তাদের পয়েন্ট এখন ৭ ম্যাচ শেষে ৪০। এখনও কাগজে কলমে দলটির ফাইনালের আশা টিকে আছে।
এই চক্রে বাংলাদেশের সামনে এখনো ৫টি ম্যাচ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দুটি এবং নিজেদের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচ রয়েছে। ফাইনালের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশকে এই বাকি পাঁচ ম্যাচের প্রতিটিতে জয়লাভ করতে হবে। দল যদি সবকটি ম্যাচে জয় পায়, তবে পয়েন্টের হার দাঁড়াবে ৬৫ শতাংশের ওপরে। কিন্তু একটি ম্যাচে হেরে গেলেই পয়েন্টের হার নেমে আসবে ৬১ শতাংশে, যা প্রথম দুইয়ে থাকার জন্য যথেষ্ট হবে না।
কাগজ-কলমে হিসাবটি গাণিতিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তবতার নিরিখে তা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এই সমীকরণ মেলাতে হলে বাংলাদেশকে দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে গিয়ে তাদের হোয়াইটওয়াশ করতে হবে, অথচ ইতিহাস বলছে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কোনো টেস্ট জিততে পারেনি। পাশাপাশি দেশের মাঠে শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় নিয়ে সিরিজ ড্র করা আবশ্যক। এই কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করে বাংলাদেশ কতদূর এগোতে পারে, সেটিই এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মূল দেখার বিষয়।
