আন্তর্জাতিক
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ইসরাইলের প্রধান বিরোধী দলকে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। শনিবার দেশটির রাজধানী তেল আবিবে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা নেতানিয়াহুকে ইসরাইলের দীর্ঘতম মেয়াদের শাসক এবং একজন ‘বড় চালবাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, দেশে প্রকৃত পরিবর্তন আনার এটিই হয়তো শেষ সুযোগ।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১২০ আসনের নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি এবং প্রধান বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এককভাবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি-ইসরাইলি নেতৃত্বাধীন তিনটি দল এবার দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়ে মোট ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ‘রাআম’ ও ‘জয়েন্ট লিস্ট’ জোট বাক্সে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার ভোট পড়েছে, যা ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ৬৪ শতাংশ বেশি।
এর আগে গাদি আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার গঠনে তাদের সমর্থন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। রামাল্লা থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি নূর ওদেহ জানান, সাধারণ মানুষ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন দেখতে চায় এবং তারা মনে করে আইজেনকোট সহ অন্যান্য ইহুদি-ইসরাইলি নেতাদের জনগণের এই জোরালো দাবি মেনে নেওয়া উচিত।
এদিকে ফিলিস্তিনি-ইসরাইলি দলগুলোর বিরুদ্ধে কাতার থেকে অর্থ এনে নির্বাচন ‘চুরি’ করার অভিযোগ এনেছেন নেতানিয়াহু। কাতার অবশ্য এই দাবিকে ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার বলে খণ্ডন করেছে। অন্যদিকে, ইসরাইলের চরম ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলো আরব নাগরিকদের এই ঐতিহাসিক ভোটদানকে ‘নির্বাচনি সন্ত্রাসবাদ’ বলে আখ্যা দিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করছে। উল্লেখ্য, ওই দিন দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের হামলায় ১,২০০-র বেশি মানুষ নিহত হন এবং শতাধিক মানুষকে জিম্মি করা হয়। সেদিন হামাস যোদ্ধারা দক্ষিণ ইসরাইলে আক্রমণ চালিয়ে ১,২০০-র বেশি মানুষকে হত্যা এবং শতাধিক মানুষকে জিম্মি করে নিয়ে যায়।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ইসরাইলের প্রধান বিরোধী দলকে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। শনিবার দেশটির রাজধানী তেল আবিবে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা নেতানিয়াহুকে ইসরাইলের দীর্ঘতম মেয়াদের শাসক এবং একজন ‘বড় চালবাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, দেশে প্রকৃত পরিবর্তন আনার এটিই হয়তো শেষ সুযোগ।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১২০ আসনের নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি এবং প্রধান বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এককভাবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি-ইসরাইলি নেতৃত্বাধীন তিনটি দল এবার দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়ে মোট ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ‘রাআম’ ও ‘জয়েন্ট লিস্ট’ জোট বাক্সে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার ভোট পড়েছে, যা ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ৬৪ শতাংশ বেশি।
এর আগে গাদি আইজেনকোট আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার গঠনে তাদের সমর্থন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। রামাল্লা থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি নূর ওদেহ জানান, সাধারণ মানুষ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন দেখতে চায় এবং তারা মনে করে আইজেনকোট সহ অন্যান্য ইহুদি-ইসরাইলি নেতাদের জনগণের এই জোরালো দাবি মেনে নেওয়া উচিত।
এদিকে ফিলিস্তিনি-ইসরাইলি দলগুলোর বিরুদ্ধে কাতার থেকে অর্থ এনে নির্বাচন ‘চুরি’ করার অভিযোগ এনেছেন নেতানিয়াহু। কাতার অবশ্য এই দাবিকে ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার বলে খণ্ডন করেছে। অন্যদিকে, ইসরাইলের চরম ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলো আরব নাগরিকদের এই ঐতিহাসিক ভোটদানকে ‘নির্বাচনি সন্ত্রাসবাদ’ বলে আখ্যা দিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করছে। উল্লেখ্য, ওই দিন দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের হামলায় ১,২০০-র বেশি মানুষ নিহত হন এবং শতাধিক মানুষকে জিম্মি করা হয়। সেদিন হামাস যোদ্ধারা দক্ষিণ ইসরাইলে আক্রমণ চালিয়ে ১,২০০-র বেশি মানুষকে হত্যা এবং শতাধিক মানুষকে জিম্মি করে নিয়ে যায়।
