আর্কাইভ
ইসরাইলে আসন্ন ২৭ অক্টোবরের পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে ইরানের বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য সামরিক অভিযান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সেনাপ্রধান আইয়াল জামিরের মধ্যে মতবিরোধের খবর সামনে এসেছে। সেনাপ্রধান জামির প্রস্তাবিত ওই অভিযানের আগে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছ থেকে বিস্তারিত আলোচনা এবং লিখিত আইনি অনুমোদন দাবি করেছেন। তবে সামরিক সূত্রের মতে, এই অভিযানের লক্ষ্য বা ধরন নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সামরিক কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, নির্বাচনের আগে নির্বাচনী সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলা হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, এমন একটি অভিযান দ্রুত ইরানের সাথে সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যা স্পর্শকাতর এই সময়ে বড় ধরনের ভুল হিসাব-নিকাশের ঝুঁকি তৈরি করতে সক্ষম।
এই বিরোধের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে রোববার রাতে এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু স্পষ্ট বলেন, সেনাপ্রধানের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই। একইভাবে নির্বাচনী স্বার্থে ইরান ইস্যুকে ব্যবহারের অভিযোগটিও নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব। একই সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, তিনি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও সামরিক বাহিনীকে ইরানের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে কাজ করার সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। তবে গোপন সামরিক অভিযানটি তার এই নির্দেশের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কি না, তা পরিষ্কার নয়।
নেতানিয়াহুর দাবি, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি আবারও পুরোদমে শুরু করেছে। তিনি আসন্ন নির্বাচনকে ইসরাইলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর আগে রোববার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তেল আবিবের আকাশে পারমাণবিক বিস্ফোরণের একটি ছবি ছড়িয়ে দেন, যা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরির কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চ্যানেল ১২ ও চ্যানেল ১৪-এর বরাতে জানা গেছে, দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা গাদি আইজেনকোট ও ইয়ার গোলান প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে নেতানিয়াহু পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের মনে ভয় ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ইসরাইলে আসন্ন ২৭ অক্টোবরের পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে ইরানের বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য সামরিক অভিযান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সেনাপ্রধান আইয়াল জামিরের মধ্যে মতবিরোধের খবর সামনে এসেছে। সেনাপ্রধান জামির প্রস্তাবিত ওই অভিযানের আগে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছ থেকে বিস্তারিত আলোচনা এবং লিখিত আইনি অনুমোদন দাবি করেছেন। তবে সামরিক সূত্রের মতে, এই অভিযানের লক্ষ্য বা ধরন নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সামরিক কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, নির্বাচনের আগে নির্বাচনী সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলা হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, এমন একটি অভিযান দ্রুত ইরানের সাথে সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যা স্পর্শকাতর এই সময়ে বড় ধরনের ভুল হিসাব-নিকাশের ঝুঁকি তৈরি করতে সক্ষম।
এই বিরোধের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে রোববার রাতে এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু স্পষ্ট বলেন, সেনাপ্রধানের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই। একইভাবে নির্বাচনী স্বার্থে ইরান ইস্যুকে ব্যবহারের অভিযোগটিও নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব। একই সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, তিনি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও সামরিক বাহিনীকে ইরানের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে কাজ করার সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। তবে গোপন সামরিক অভিযানটি তার এই নির্দেশের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কি না, তা পরিষ্কার নয়।
নেতানিয়াহুর দাবি, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি আবারও পুরোদমে শুরু করেছে। তিনি আসন্ন নির্বাচনকে ইসরাইলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর আগে রোববার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তেল আবিবের আকাশে পারমাণবিক বিস্ফোরণের একটি ছবি ছড়িয়ে দেন, যা ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরির কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চ্যানেল ১২ ও চ্যানেল ১৪-এর বরাতে জানা গেছে, দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা গাদি আইজেনকোট ও ইয়ার গোলান প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে নেতানিয়াহু পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের মনে ভয় ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন।
