রাজনীতি
১২ কেজি সরকারি ভর্তুকির এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ৭৭৭ টাকা। অথচ সাধারণ মানুষ এই দামে সিলিন্ডার পাচ্ছেন না কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। সোমবার সকালে নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থায় বিদ্যমান অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগের বিষয়ে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানান।
পোস্টে হামিদুর রহমান আযাদ উল্লেখ করেন, সরকারি এলপিজির দাম ৭৭৭ টাকা হলেও বেসরকারি কোম্পানির ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। দুই ধরনের সিলিন্ডারের দামে বড় ব্যবধান থাকলেও সরকারি ভর্তুকির সুবিধা সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন না। বাজারে প্রতিবছর ১৮ থেকে ২০ লাখ সরকারি এলপিজি সিলিন্ডার ছাড়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব সিলিন্ডারের বড় একটি অংশ নির্ধারিত গ্রাহকদের কাছে না পৌঁছে কথিত ‘কাগুজে ডিলার’ ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারি কোম্পানির গুদামে চলে যায়। পরে সেগুলো পুনরায় রিফিল করে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়। এভাবে প্রতিবছর সরকারের অন্তত ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি।
জামায়াতের এই নেতা তার পোস্টে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, ‘ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়।’ সরকারি ভর্তুকির মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের ব্যয় কমানো, তাই প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে তিনি দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে দেশের সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে ভর্তুকির সুফল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের মুনাফাখোরি কর্মকাণ্ড বন্ধ করা যায়।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১২ কেজি সরকারি ভর্তুকির এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ৭৭৭ টাকা। অথচ সাধারণ মানুষ এই দামে সিলিন্ডার পাচ্ছেন না কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। সোমবার সকালে নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থায় বিদ্যমান অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগের বিষয়ে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানান।
পোস্টে হামিদুর রহমান আযাদ উল্লেখ করেন, সরকারি এলপিজির দাম ৭৭৭ টাকা হলেও বেসরকারি কোম্পানির ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। দুই ধরনের সিলিন্ডারের দামে বড় ব্যবধান থাকলেও সরকারি ভর্তুকির সুবিধা সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন না। বাজারে প্রতিবছর ১৮ থেকে ২০ লাখ সরকারি এলপিজি সিলিন্ডার ছাড়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব সিলিন্ডারের বড় একটি অংশ নির্ধারিত গ্রাহকদের কাছে না পৌঁছে কথিত ‘কাগুজে ডিলার’ ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারি কোম্পানির গুদামে চলে যায়। পরে সেগুলো পুনরায় রিফিল করে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়। এভাবে প্রতিবছর সরকারের অন্তত ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি।
জামায়াতের এই নেতা তার পোস্টে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, ‘ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়।’ সরকারি ভর্তুকির মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের ব্যয় কমানো, তাই প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে তিনি দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে দেশের সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে ভর্তুকির সুফল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের মুনাফাখোরি কর্মকাণ্ড বন্ধ করা যায়।
