আর্কাইভ
ভারতের হায়দরাবাদের মাইন্ডস্পেস আইটি করিডরে কর্মরত ২৯ বছর বয়সী এক সফটওয়্যার কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা অর্চনা চৌধুরী মালিক নামের ওই তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ রোববার ভোরে উদ্ধার করে পুলিশ। মাধাপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি মামলা নথিভুক্ত করে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের জন্য বিশেষজ্ঞ দল মোতায়েন করেছে। ভারতের হায়দরাবাদে নিজ বাসা থেকে ২৯ বছর বয়সী এক নারী সফটওয়্যারকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত আড়াইটার দিকে অর্চনা তার এক সহকর্মীকে ভিডিও কল করেছিলেন। সেই সময় ওই সহকর্মী হায়দরাবাদের বাইরে একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন। ভিডিও কলে অর্চনা তাকে বিয়ে না করলে নিজের জীবন শেষ করে ফেলার হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সহকর্মী বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পাওয়ায় ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে অর্চনার বাসায় পৌঁছান। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকায় তিনি বিষয়টি অবহিত করেন এবং পরে টহল পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ। ঘটনার আগে সহকর্মীর সঙ্গে অর্চনার সম্পর্ক এবং মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেখানে ওই নারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের হায়দরাবাদের মাইন্ডস্পেস আইটি করিডরে কর্মরত ২৯ বছর বয়সী এক সফটওয়্যার কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা অর্চনা চৌধুরী মালিক নামের ওই তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ রোববার ভোরে উদ্ধার করে পুলিশ। মাধাপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি মামলা নথিভুক্ত করে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের জন্য বিশেষজ্ঞ দল মোতায়েন করেছে। ভারতের হায়দরাবাদে নিজ বাসা থেকে ২৯ বছর বয়সী এক নারী সফটওয়্যারকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত আড়াইটার দিকে অর্চনা তার এক সহকর্মীকে ভিডিও কল করেছিলেন। সেই সময় ওই সহকর্মী হায়দরাবাদের বাইরে একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন। ভিডিও কলে অর্চনা তাকে বিয়ে না করলে নিজের জীবন শেষ করে ফেলার হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সহকর্মী বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পাওয়ায় ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে অর্চনার বাসায় পৌঁছান। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকায় তিনি বিষয়টি অবহিত করেন এবং পরে টহল পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ। ঘটনার আগে সহকর্মীর সঙ্গে অর্চনার সম্পর্ক এবং মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেখানে ওই নারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
