অগ্নিকান্ড
ধুনটে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ছাই, ক্ষতি ৪-৫ লাখ টাকা; বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধে ফোন ধরেনি পল্লী বিদ্যুৎ, অভিযোগ স্থানীয়দের।
প্রতিবেশীর চিৎকারে ঘুম ভাঙায় দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন বগুড়ার ধুনটের নরসুন্দর সুজন চন্দ্র বাদ্যকর (২৫)। তবে চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তাঁর বসতঘর ও জীবনের সব সঞ্চয়।
বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের পিরহাটী পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সুজন চন্দ্র ওই গ্রামের দুলাল বাদ্যকরের ছেলে। তিনি মথুরাপুর বাজারে নরসুন্দরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার সময় সুজন চন্দ্র তাঁর দুই ছেলে সৌরভ ও গৌরবকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী তখন রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ এক প্রতিবেশী নারী বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার করে সবাইকে জানালে সুজনের ঘুম ভাঙে। পরে তিনি সন্তানদের নিয়ে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের আরেকটি ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টার পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যেই ঘরে থাকা টিভি, ফ্রিজ, ধান-চাল, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগুন লাগার পর বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করার জন্য কয়েকজন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তাঁদের দাবি, সময়মতো বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও কমানো সম্ভব হতো। তবে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় আশপাশের ঘরবাড়ি রক্ষা পায়।
ধুনট ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার জহুরুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তিনি জানান, এ ঘটনায় আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ধুনটে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ছাই, ক্ষতি ৪-৫ লাখ টাকা; বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধে ফোন ধরেনি পল্লী বিদ্যুৎ, অভিযোগ স্থানীয়দের।
প্রতিবেশীর চিৎকারে ঘুম ভাঙায় দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন বগুড়ার ধুনটের নরসুন্দর সুজন চন্দ্র বাদ্যকর (২৫)। তবে চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তাঁর বসতঘর ও জীবনের সব সঞ্চয়।
বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের পিরহাটী পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সুজন চন্দ্র ওই গ্রামের দুলাল বাদ্যকরের ছেলে। তিনি মথুরাপুর বাজারে নরসুন্দরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার সময় সুজন চন্দ্র তাঁর দুই ছেলে সৌরভ ও গৌরবকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী তখন রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ এক প্রতিবেশী নারী বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার করে সবাইকে জানালে সুজনের ঘুম ভাঙে। পরে তিনি সন্তানদের নিয়ে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের আরেকটি ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টার পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যেই ঘরে থাকা টিভি, ফ্রিজ, ধান-চাল, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগুন লাগার পর বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করার জন্য কয়েকজন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তাঁদের দাবি, সময়মতো বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও কমানো সম্ভব হতো। তবে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় আশপাশের ঘরবাড়ি রক্ষা পায়।
ধুনট ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার জহুরুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তিনি জানান, এ ঘটনায় আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
