স্বাস্থ্য
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে রাজশাহীর গোদাগাড়ী অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও হামের ঝুঁকি নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি-২০২৬ জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গোদাগাড়ীর বর্তমান ভৌগোলিক ও জনতাত্ত্বিক পরিস্থিতিতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব শিশু ইতিমধ্যে নিয়মিত দুই ডোজ হামের টিকা গ্রহণ করেছে, তাদেরও এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত এক ডোজ টিকা নিতে হবে। এটি মূলত শিশুদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদী এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একটি ‘বুস্টার’ হিসেবে কাজ করবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা:
গোদাগাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী কোনো শিশুই যেন ঝুঁকির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যেই এই মাঠ পর্যায়ের প্রচারণা ও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), গাভি (Gavi) এবং ইউনিসেফের (UNICEF) সহযোগিতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, "আপনার শিশু নিয়মিত টিকা পেয়ে থাকলেও এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের টিকা তার বাড়তি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। তাই নিকটস্থ কেন্দ্রে গিয়ে আপনার শিশুকে টিকা দিন।"

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে রাজশাহীর গোদাগাড়ী অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও হামের ঝুঁকি নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি-২০২৬ জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গোদাগাড়ীর বর্তমান ভৌগোলিক ও জনতাত্ত্বিক পরিস্থিতিতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব শিশু ইতিমধ্যে নিয়মিত দুই ডোজ হামের টিকা গ্রহণ করেছে, তাদেরও এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত এক ডোজ টিকা নিতে হবে। এটি মূলত শিশুদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদী এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একটি ‘বুস্টার’ হিসেবে কাজ করবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা:
গোদাগাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী কোনো শিশুই যেন ঝুঁকির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যেই এই মাঠ পর্যায়ের প্রচারণা ও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), গাভি (Gavi) এবং ইউনিসেফের (UNICEF) সহযোগিতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, "আপনার শিশু নিয়মিত টিকা পেয়ে থাকলেও এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের টিকা তার বাড়তি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। তাই নিকটস্থ কেন্দ্রে গিয়ে আপনার শিশুকে টিকা দিন।"
