অর্থনীতি-ব্যাবসা
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক আলুর বাজারে আবারও দামের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে আনুমানিক ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতের আলু উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, কুকরাভিট জাতের আলু প্রতি মন ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায় এবং পাকরি আলু ৮০০ থেকে ৮৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এমন উচ্চমূল্যের কারণে খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যে রাতের বেলায় বাজার কার্যক্রম পরিচালিত হলেও পরিস্থিতি উল্টো চিত্র ধারণ করেছে। বাজারে আসা যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি এবং বাজারের জায়গা স্বল্পতায় প্রায় অর্ধ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে করে দূর পাল্লার যাত্রী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, মালবাহী ট্রাক এবং সাধারণ ক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আলুর সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে, পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় রাতের বাজারেও যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণ ক্রেতারা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এমন মূল্যবৃদ্ধিতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি যানজটের কারণে বাজারে যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক আলুর বাজারে আবারও দামের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে আনুমানিক ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতের আলু উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, কুকরাভিট জাতের আলু প্রতি মন ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায় এবং পাকরি আলু ৮০০ থেকে ৮৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এমন উচ্চমূল্যের কারণে খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যে রাতের বেলায় বাজার কার্যক্রম পরিচালিত হলেও পরিস্থিতি উল্টো চিত্র ধারণ করেছে। বাজারে আসা যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি এবং বাজারের জায়গা স্বল্পতায় প্রায় অর্ধ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে করে দূর পাল্লার যাত্রী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, মালবাহী ট্রাক এবং সাধারণ ক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আলুর সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে, পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় রাতের বাজারেও যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণ ক্রেতারা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এমন মূল্যবৃদ্ধিতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি যানজটের কারণে বাজারে যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
