আর্কাইভ
জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান সোমবার দুপুরে এক চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘ ২৩ বছর আগে পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা গ্রামে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোজাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোজাম একই গ্রামের মৃত সোলেমানের ছেলে এবং রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামি মোজাম স্থানীয় দিলীপ কুমারের স্ত্রীকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিতেন।
বিষয়টি পরিবারকে জানানোর জেরে দিলীপকে মারধর করেছিলেন তিনি। ২০০৩ সালের ২০ মে রাতে দিলীপ প্রাকৃতিক কাজে বাইরে গেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মোজাম ও তার সহযোগী কৌশলে ঘরে ঢুকে দিলীপের স্ত্রীকে জিম্মি করে রাখে। পরে ভুক্তভোগী বাড়িতে ফিরে এলে আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের পাশের বাঁশবাগানে ঝুলিয়ে রাখে।
পরের দিন সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যার বলে প্রচার করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে পুলিশি তদন্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে আসে। এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানার তৎকালীন এসআই জাহাঙ্গীর আলম পাশা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার বিজ্ঞ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান সোমবার দুপুরে এক চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘ ২৩ বছর আগে পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা গ্রামে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোজাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোজাম একই গ্রামের মৃত সোলেমানের ছেলে এবং রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামি মোজাম স্থানীয় দিলীপ কুমারের স্ত্রীকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিতেন।
বিষয়টি পরিবারকে জানানোর জেরে দিলীপকে মারধর করেছিলেন তিনি। ২০০৩ সালের ২০ মে রাতে দিলীপ প্রাকৃতিক কাজে বাইরে গেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মোজাম ও তার সহযোগী কৌশলে ঘরে ঢুকে দিলীপের স্ত্রীকে জিম্মি করে রাখে। পরে ভুক্তভোগী বাড়িতে ফিরে এলে আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের পাশের বাঁশবাগানে ঝুলিয়ে রাখে।
পরের দিন সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যার বলে প্রচার করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে পুলিশি তদন্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে আসে। এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানার তৎকালীন এসআই জাহাঙ্গীর আলম পাশা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার বিজ্ঞ আদালত এই রায় প্রদান করেন।
