রম্যবেলা
আজ পহেলা ফাল্গুন। বাংলা বর্ষপঞ্জির একাদশ মাস ফাল্গুনের প্রথম দিনেই শুরু হলো ঋতুরাজ বসন্তের আনুষ্ঠানিক আগমন। শীতের বিদায় আর প্রকৃতির নতুন রূপে সেজে ওঠার মধ্য দিয়ে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বসন্তবরণ।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সকাল থেকেই দেখা গেছে বর্ণিল সাজসজ্জা। নারীদের পরনে হলুদ-কমলা শাড়ি, পুরুষদের পাঞ্জাবি—সব মিলিয়ে রঙের সমারোহ। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বসন্তবরণ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বসন্ত উৎসব রূপ নেয় মিলনমেলায়।
ঋতুর এই পরিবর্তনকে ঘিরে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর গান ও কবিতা নতুন করে প্রাণ পায়। “এসো হে বৈশাখ” কিংবা বসন্তবিষয়ক নানা গান পরিবেশিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর বসন্তের গানও শোনা যায় উৎসবের মঞ্চে।
শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও বসন্তের আবহ স্পষ্ট। মাঠে-ঘাটে শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা প্রকৃতিকে করেছে রঙিন। কৃষিজমিতে নতুন ফসলের আভাস এবং মৃদু উষ্ণ হাওয়া জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের বার্তা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পহেলা ফাল্গুনের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সরব সবাই। তরুণ-তরুণীরা ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে উদযাপন করছেন বসন্তের আনন্দ।
বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে পহেলা ফাল্গুন কেবল একটি ঋতুর সূচনা নয়; এটি নবজাগরণ, সৌন্দর্য ও ভালোবাসার প্রতীক। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও এই দিনটি মানুষকে এনে দেয় নতুন উদ্যম ও আশাবাদের বার্তা।
বসন্তের এই রঙিন দিনে সবার জীবনে বয়ে আসুক আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি—এমন প্রত্যাশাই সবার।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ পহেলা ফাল্গুন। বাংলা বর্ষপঞ্জির একাদশ মাস ফাল্গুনের প্রথম দিনেই শুরু হলো ঋতুরাজ বসন্তের আনুষ্ঠানিক আগমন। শীতের বিদায় আর প্রকৃতির নতুন রূপে সেজে ওঠার মধ্য দিয়ে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বসন্তবরণ।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সকাল থেকেই দেখা গেছে বর্ণিল সাজসজ্জা। নারীদের পরনে হলুদ-কমলা শাড়ি, পুরুষদের পাঞ্জাবি—সব মিলিয়ে রঙের সমারোহ। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বসন্তবরণ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বসন্ত উৎসব রূপ নেয় মিলনমেলায়।
ঋতুর এই পরিবর্তনকে ঘিরে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর গান ও কবিতা নতুন করে প্রাণ পায়। “এসো হে বৈশাখ” কিংবা বসন্তবিষয়ক নানা গান পরিবেশিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর বসন্তের গানও শোনা যায় উৎসবের মঞ্চে।
শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও বসন্তের আবহ স্পষ্ট। মাঠে-ঘাটে শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা প্রকৃতিকে করেছে রঙিন। কৃষিজমিতে নতুন ফসলের আভাস এবং মৃদু উষ্ণ হাওয়া জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের বার্তা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পহেলা ফাল্গুনের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সরব সবাই। তরুণ-তরুণীরা ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে উদযাপন করছেন বসন্তের আনন্দ।
বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে পহেলা ফাল্গুন কেবল একটি ঋতুর সূচনা নয়; এটি নবজাগরণ, সৌন্দর্য ও ভালোবাসার প্রতীক। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও এই দিনটি মানুষকে এনে দেয় নতুন উদ্যম ও আশাবাদের বার্তা।
বসন্তের এই রঙিন দিনে সবার জীবনে বয়ে আসুক আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি—এমন প্রত্যাশাই সবার।
