অর্থনীতি-ব্যাবসা
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর উদ্বোধন করা হলেও কেবল অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর। ভারতের সাথে পণ্য আমদানির বড় সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেও বর্তমানে এই বন্দরে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধার অভাবে বাণিজ্যের নতুন এই দুয়ারটি খুলতে না খুলতেই হোঁচট খেয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সুলতানগঞ্জ নৌবন্দরে প্রয়োজনীয় কোনো অবকাঠামোই এখনো গড়ে ওঠেনি। নেই পর্যাপ্ত জেটি সুবিধা, স্থায়ী পণ্য সংরক্ষণাগার (ওয়্যারহাউজ) কিংবা উন্নত লোডিং-আনলোডিং ব্যবস্থা। এছাড়া বন্দর এলাকায় প্রবেশের সংযোগ সড়কগুলোও পণ্যবাহী ভারী ট্রাক চলাচলের জন্য উপযোগী নয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, আধুনিক ক্রেন ও ড্রেজিং ব্যবস্থার অভাব বড় একটি বাধা। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার নাব্যতা সংকটের কারণে পণ্যবাহী নৌযান ভেড়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অবকাঠামোগত এই দৈন্যদশার কারণে আমদানিকারকরা এই বন্দর ব্যবহারে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন।
অথচ ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সুলতানগঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে:
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতে, সুলতানগঞ্জ নৌবন্দরকে সচল করতে হলে দ্রুত কাস্টমস স্টেশনের আধুনিকায়ন ও স্থায়ী জেটি নির্মাণ জরুরি। পর্যাপ্ত অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে এটি হবে এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক হাব।
অবকাঠামোগত এই স্থবিরতা কাটিয়ে কবে নাগাদ বন্দরটি পূর্ণ উদ্যমে যাত্রা শুরু করবে, এখন সেই অপেক্ষাতেই প্রহর গুনছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর উদ্বোধন করা হলেও কেবল অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর। ভারতের সাথে পণ্য আমদানির বড় সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেও বর্তমানে এই বন্দরে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধার অভাবে বাণিজ্যের নতুন এই দুয়ারটি খুলতে না খুলতেই হোঁচট খেয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সুলতানগঞ্জ নৌবন্দরে প্রয়োজনীয় কোনো অবকাঠামোই এখনো গড়ে ওঠেনি। নেই পর্যাপ্ত জেটি সুবিধা, স্থায়ী পণ্য সংরক্ষণাগার (ওয়্যারহাউজ) কিংবা উন্নত লোডিং-আনলোডিং ব্যবস্থা। এছাড়া বন্দর এলাকায় প্রবেশের সংযোগ সড়কগুলোও পণ্যবাহী ভারী ট্রাক চলাচলের জন্য উপযোগী নয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, আধুনিক ক্রেন ও ড্রেজিং ব্যবস্থার অভাব বড় একটি বাধা। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার নাব্যতা সংকটের কারণে পণ্যবাহী নৌযান ভেড়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অবকাঠামোগত এই দৈন্যদশার কারণে আমদানিকারকরা এই বন্দর ব্যবহারে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন।
অথচ ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সুলতানগঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে:
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতে, সুলতানগঞ্জ নৌবন্দরকে সচল করতে হলে দ্রুত কাস্টমস স্টেশনের আধুনিকায়ন ও স্থায়ী জেটি নির্মাণ জরুরি। পর্যাপ্ত অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে এটি হবে এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক হাব।
অবকাঠামোগত এই স্থবিরতা কাটিয়ে কবে নাগাদ বন্দরটি পূর্ণ উদ্যমে যাত্রা শুরু করবে, এখন সেই অপেক্ষাতেই প্রহর গুনছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
