আইন ও পরামর্শআইন ও পরামর্শ

টাঙ্গাইলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

শেয়ার করুন
অ+ অ-

সাজ্জাদ হোসেন, টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার ১৪ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের কনফারেন্স হলে জেলার প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এই কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মো. আব্দুস সবুর।

কর্মশালায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর প্রয়োগ নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি ১৯৯৩, যা ২০০২ সালে সংশোধিত হয়েছে, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০১৪ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ সম্পর্কে প্রশিক্ষণে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়। এসব আইন ও নীতিমালার বাস্তব প্রয়োগ এবং সংবাদ পরিবেশনে পেশাগত নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধতা জরুরি। বিভাজিত জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারে না, তাই সাংবাদিক সমাজের ঐক্যই পেশার মর্যাদা ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান শক্তি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি স্বাধীন পেশা এবং কোনো নির্দিষ্ট গণমাধ্যমে যুক্ত না থেকেও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সাংবাদিকতা করে দেশের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব। সাংবাদিকদের জন্য প্রেসক্লাব বা কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বাধ্যবাধকতাও নেই।

এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় টাঙ্গাইলের প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন ও টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

Public Voice

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


টাঙ্গাইলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সাজ্জাদ হোসেন, টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার ১৪ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের কনফারেন্স হলে জেলার প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এই কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মো. আব্দুস সবুর।

কর্মশালায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯৭৪ এর প্রয়োগ নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি ১৯৯৩, যা ২০০২ সালে সংশোধিত হয়েছে, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ২০১৪ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ সম্পর্কে প্রশিক্ষণে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়। এসব আইন ও নীতিমালার বাস্তব প্রয়োগ এবং সংবাদ পরিবেশনে পেশাগত নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধতা জরুরি। বিভাজিত জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারে না, তাই সাংবাদিক সমাজের ঐক্যই পেশার মর্যাদা ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান শক্তি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি স্বাধীন পেশা এবং কোনো নির্দিষ্ট গণমাধ্যমে যুক্ত না থেকেও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সাংবাদিকতা করে দেশের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব। সাংবাদিকদের জন্য প্রেসক্লাব বা কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বাধ্যবাধকতাও নেই।

এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় টাঙ্গাইলের প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন ও টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত