আন্তর্জাতিক
কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বলিভার প্রদেশের সান্তা রোসা পৌরসভায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন ব্যবহার করে চালানো এই আকস্মিক হামলায় ঘটনাস্থলেই তিন সেনাসদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় আরও আটজনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। এসব ড্রোনের মাধ্যমে সামরিক ক্যান্টনমেন্টের স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়। হামলায় আরও কয়েকজন সামরিক সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
সেনাবাহিনীর ফার্স্ট ডিভিশন এক বিবৃতিতে এই হামলার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সুপরিকল্পিতভাবে বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোনগুলো ব্যবহার করা হয়। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণসহ বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।
সেনাবাহিনীর ফার্স্ট ডিভিশন এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকারের বড় ধরনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে। একই সঙ্গে, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়েছে সেনাবাহিনী। যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা হামলার আগাম তথ্য থাকলে নাগরিকদের দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী হটলাইনে দ্রুত যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে ফেলতে পারে—এমন সহিংস ঘটনা প্রতিরোধে আগাম তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বলিভার প্রদেশের সান্তা রোসা পৌরসভায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন ব্যবহার করে চালানো এই আকস্মিক হামলায় ঘটনাস্থলেই তিন সেনাসদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় আরও আটজনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। এসব ড্রোনের মাধ্যমে সামরিক ক্যান্টনমেন্টের স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়। হামলায় আরও কয়েকজন সামরিক সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
সেনাবাহিনীর ফার্স্ট ডিভিশন এক বিবৃতিতে এই হামলার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সুপরিকল্পিতভাবে বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোনগুলো ব্যবহার করা হয়। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণসহ বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।
সেনাবাহিনীর ফার্স্ট ডিভিশন এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকারের বড় ধরনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে। একই সঙ্গে, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়েছে সেনাবাহিনী। যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা হামলার আগাম তথ্য থাকলে নাগরিকদের দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী হটলাইনে দ্রুত যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে ফেলতে পারে—এমন সহিংস ঘটনা প্রতিরোধে আগাম তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
