আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ৬০ বছরের রহস্যের অবসান কি?

ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির দীর্ঘদিনের অস্পষ্টতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। মার্কিন সহায়তা হ্রাস এবং পারমাণবিক সক্ষমতার জল্পনায় এখন নতুন সমীকরণের মুখে মধ্যপ্রাচ্য।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র থাকার বিষয়টি গত ছয় দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে এক অঘোষিত গোপনীয়তার অংশ হিসেবে টিকে আছে। ১৯৬০ সালের দিকে মার্কিন কূটনীতিকরা নেগেভ মরুভূমিতে একটি স্থাপনা নির্মাণ হতে দেখেন। সেই সময় ইসরাইলি কর্মকর্তা অ্যাডি কোহেন সেটিকে কেবল একটি টেক্সটাইল কারখানা হিসেবে দাবি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এটিই ছিল দিমোনা পারমাণবিক স্থাপনা, যা কালক্রমে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রাগারে পরিণত হয়। এ নিয়ে ৬০ বছর ধরে গোপনীয়তা বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ১৯৬০ সালের শুরুর দিকে মার্কিন কূটনীতিকরা হেলিকপ্টারে করে যাওয়ার সময় নেগেভ মরুভূমিতে একটি নির্মাণকাজ দেখতে পান। পরে মার্কিন গোয়েন্দারা জানতে পারেন, সেটি আসলে দিমোনা পারমাণবিক স্থাপনা ছিল। একইসাথে ইসরাইলও কীভাবে পারমাণবিক বোমা পেয়েছে, সেই প্রশ্নের হাত থেকে বেঁচে গেছে।

এই গোপনীয়তার ইতিহাসে বিতর্কিত অধ্যায় যুক্ত হয় যখন পেনসিলভানিয়ার একটি প্ল্যান্ট থেকে শত শত পাউন্ড অস্ত্র-গ্রেডের ইউরেনিয়াম নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানা যায়। ইতিহাসবিদদের মতে, এই ইউরেনিয়াম ইসরাইলি কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৬৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মেইরের মধ্যকার গোপন সমঝোতার পর এই অস্পষ্টতা নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, যার ফলে ইসরাইলকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হয়নি। ইতিহাসবিদ অ্যাভনার কোহেনের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বাজেভাবে রাখা গোপন বিষয়। ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ থেকে পাওয়া তথ্য এবং ২০২৪ সালের হিব্রু ভাষার প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য অ্যাটম অ্যান্ড মি’ এর তথ্য অনুযায়ী, দিমোনার নিচে থাকা গোপন ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি মার্কিন পরিদর্শকরা কখনোই খুঁজে পাননি। এই গোপনীয়তার পর্দা উঠলে অনেক পুরনো তথ্য সামনে আসবে। পরিদর্শকরা আসার আগেই ইসরাইলি কর্মকর্তারা এর লিফট দেয়াল দিয়ে ঢেকে দিতেন। এই বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ইসরাইলি দূতাবাসও সিএনএন-এর কাছে কোনো উত্তর দেয়নি।

তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই অবস্থানের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা ও মার্কিন পররাষ্ট্র ও গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটির সদস্য জোয়াকিন কাস্ত্রো সিএনএনকে জানান, ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্রাগার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অস্পষ্ট অবস্থান এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, চলতি বছরের শেষে ইসরাইলকে দেওয়া প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৯ হাজার ৫৯২ কোটি টাকার সামরিক সহায়তা বন্ধ হতে পারে। তিনি যুক্তি দেন, এখন ইসরাইলের আর এই সহায়তার প্রয়োজন নেই। তবে এই স্থিতাবস্থা এখন বদলাতে শুরু করেছে। অন্যদিকে সৌদি আরবের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তার মতে, ইসরাইলের পারমাণবিক ব্যবহারের চরম সীমা বা রেড লাইন না জেনে তাদের সাথে লড়াইয়ে নামা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

গোপনীয়তা রক্ষার এই দীর্ঘ প্রচেষ্টার আড়ালে নানা নাটকীয় ঘটনাও রয়েছে। ১৯৮৬ সালে মোরদেচাই ভানুনু নামের দিমোনা প্ল্যান্টের এক সাবেক টেকনিশিয়ান ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্য ও ছবি ফাঁস করে দেন। সাংবাদিক পিটার হুনামের গ্রন্থ অনুযায়ী, মোসাদ ভানুনুকে রোম থেকে অপহরণ করে ইসরাইলে ফিরিয়ে আনে এবং বিচারে তাকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইসরাইলের কাছে প্রায় ৯০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে।

ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলে এই পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর বিশেষজ্ঞ জেমস অ্যাক্টনের মতে, ইরানের হাতে থাকা প্রায় ১ হাজার পাউন্ড উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তাদের পারমাণবিক বোমা তৈরির পথে এগিয়ে রাখছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইসরাইল প্রকাশ্যে তাদের পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ার ঘোষণা দেয়, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোকেও একই পথে উৎসাহিত করতে পারে। ১৯৬৫ সালে হেনরি কিসিঞ্জার যখন ইসরাইল সফর করে শিমন পেরেজসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন, তখন তিনি বুঝতে পারেন যে ইসরাইল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পক্ষে। তবে ১৯৬৮ সালে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়েতজাক রবিন মার্কিন কর্মকর্তাদের জানান, অস্ত্র পরীক্ষা ও প্রকাশ্যে ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত ইসরাইল এটিকে ওই অঞ্চলে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রবর্তন হিসেবে মনে করে না।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কংগ্রেসের শুনানিতে স্বীকার করেছেন যে, বিশ্ববাসী ইসরাইলের পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পর্কে অবগত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। তবে এখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও হুতি বিদ্রোহীদের তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বজায় রাখা এই লুকোচুরি নীতি এখন কতটা টেকসই থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। কিন্তু এখন এই লুকোচুরি নীতি নতুন বাস্তবতার মুখে পড়েছে।

Public Voice

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ৬০ বছরের রহস্যের অবসান কি?

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র থাকার বিষয়টি গত ছয় দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে এক অঘোষিত গোপনীয়তার অংশ হিসেবে টিকে আছে। ১৯৬০ সালের দিকে মার্কিন কূটনীতিকরা নেগেভ মরুভূমিতে একটি স্থাপনা নির্মাণ হতে দেখেন। সেই সময় ইসরাইলি কর্মকর্তা অ্যাডি কোহেন সেটিকে কেবল একটি টেক্সটাইল কারখানা হিসেবে দাবি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এটিই ছিল দিমোনা পারমাণবিক স্থাপনা, যা কালক্রমে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রাগারে পরিণত হয়। এ নিয়ে ৬০ বছর ধরে গোপনীয়তা বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ১৯৬০ সালের শুরুর দিকে মার্কিন কূটনীতিকরা হেলিকপ্টারে করে যাওয়ার সময় নেগেভ মরুভূমিতে একটি নির্মাণকাজ দেখতে পান। পরে মার্কিন গোয়েন্দারা জানতে পারেন, সেটি আসলে দিমোনা পারমাণবিক স্থাপনা ছিল। একইসাথে ইসরাইলও কীভাবে পারমাণবিক বোমা পেয়েছে, সেই প্রশ্নের হাত থেকে বেঁচে গেছে।

এই গোপনীয়তার ইতিহাসে বিতর্কিত অধ্যায় যুক্ত হয় যখন পেনসিলভানিয়ার একটি প্ল্যান্ট থেকে শত শত পাউন্ড অস্ত্র-গ্রেডের ইউরেনিয়াম নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানা যায়। ইতিহাসবিদদের মতে, এই ইউরেনিয়াম ইসরাইলি কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৬৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মেইরের মধ্যকার গোপন সমঝোতার পর এই অস্পষ্টতা নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, যার ফলে ইসরাইলকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হয়নি। ইতিহাসবিদ অ্যাভনার কোহেনের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বাজেভাবে রাখা গোপন বিষয়। ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ থেকে পাওয়া তথ্য এবং ২০২৪ সালের হিব্রু ভাষার প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য অ্যাটম অ্যান্ড মি’ এর তথ্য অনুযায়ী, দিমোনার নিচে থাকা গোপন ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি মার্কিন পরিদর্শকরা কখনোই খুঁজে পাননি। এই গোপনীয়তার পর্দা উঠলে অনেক পুরনো তথ্য সামনে আসবে। পরিদর্শকরা আসার আগেই ইসরাইলি কর্মকর্তারা এর লিফট দেয়াল দিয়ে ঢেকে দিতেন। এই বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ইসরাইলি দূতাবাসও সিএনএন-এর কাছে কোনো উত্তর দেয়নি।

তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই অবস্থানের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা ও মার্কিন পররাষ্ট্র ও গোয়েন্দা বিষয়ক কমিটির সদস্য জোয়াকিন কাস্ত্রো সিএনএনকে জানান, ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্রাগার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অস্পষ্ট অবস্থান এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, চলতি বছরের শেষে ইসরাইলকে দেওয়া প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৯ হাজার ৫৯২ কোটি টাকার সামরিক সহায়তা বন্ধ হতে পারে। তিনি যুক্তি দেন, এখন ইসরাইলের আর এই সহায়তার প্রয়োজন নেই। তবে এই স্থিতাবস্থা এখন বদলাতে শুরু করেছে। অন্যদিকে সৌদি আরবের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তার মতে, ইসরাইলের পারমাণবিক ব্যবহারের চরম সীমা বা রেড লাইন না জেনে তাদের সাথে লড়াইয়ে নামা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

গোপনীয়তা রক্ষার এই দীর্ঘ প্রচেষ্টার আড়ালে নানা নাটকীয় ঘটনাও রয়েছে। ১৯৮৬ সালে মোরদেচাই ভানুনু নামের দিমোনা প্ল্যান্টের এক সাবেক টেকনিশিয়ান ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্য ও ছবি ফাঁস করে দেন। সাংবাদিক পিটার হুনামের গ্রন্থ অনুযায়ী, মোসাদ ভানুনুকে রোম থেকে অপহরণ করে ইসরাইলে ফিরিয়ে আনে এবং বিচারে তাকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইসরাইলের কাছে প্রায় ৯০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে।

ইরানের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলে এই পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর বিশেষজ্ঞ জেমস অ্যাক্টনের মতে, ইরানের হাতে থাকা প্রায় ১ হাজার পাউন্ড উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তাদের পারমাণবিক বোমা তৈরির পথে এগিয়ে রাখছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইসরাইল প্রকাশ্যে তাদের পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ার ঘোষণা দেয়, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোকেও একই পথে উৎসাহিত করতে পারে। ১৯৬৫ সালে হেনরি কিসিঞ্জার যখন ইসরাইল সফর করে শিমন পেরেজসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন, তখন তিনি বুঝতে পারেন যে ইসরাইল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পক্ষে। তবে ১৯৬৮ সালে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়েতজাক রবিন মার্কিন কর্মকর্তাদের জানান, অস্ত্র পরীক্ষা ও প্রকাশ্যে ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত ইসরাইল এটিকে ওই অঞ্চলে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রবর্তন হিসেবে মনে করে না।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কংগ্রেসের শুনানিতে স্বীকার করেছেন যে, বিশ্ববাসী ইসরাইলের পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পর্কে অবগত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। তবে এখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও হুতি বিদ্রোহীদের তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বজায় রাখা এই লুকোচুরি নীতি এখন কতটা টেকসই থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। কিন্তু এখন এই লুকোচুরি নীতি নতুন বাস্তবতার মুখে পড়েছে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত