চট্টগ্রামচট্টগ্রাম

পার্বত্য জনপদে যোগাযোগ ও উন্নয়নে বদল আনছে সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সীমান্তে ১৩০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবি। এর পাশাপাশি অবকাঠামো, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহায়তায় বদলে যাচ্ছে স্থানীয় জীবনযাত্রা।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকাকে মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অন্তর্ভুক্ত ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২৬ ইসিবি)। প্রাকৃতিক দুর্বিপাক, পাহাড়ি ধস ও প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলা করে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলে সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়েছে এই প্রকৌশল ইউনিট। সামগ্রিকভাবে ২৬ ইসিবি শুধু একটি প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন হিসেবেই নয় বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের পিছিয়ে পড়া জনপদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও চিকিৎসায় আলো ছড়াতে এবং সর্বোপরি দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনা।

সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবি সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে রাজস্থলী প্রকল্প ক্যাম্প স্থাপনের মধ্য দিয়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় রাজস্থলী-দুমদুমিয়া-ফারুয়া-বিলাইছড়ি সাইচল-বড়থলি-থেগামুখ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ কাজ। মোট ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেগা প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৭৬ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্টের কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে শেষ হয়েছে। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ে বগাখালী থেকে করল্লাছড়ি পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। খুব শিগগিরই তৃতীয় ধাপে করল্লাছড়ি হতে থেগামুখ পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার এবং উদয়াবাদ হতে থলিপাড়া পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

সুরক্ষিত সীমান্ত অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যাতায়াত সহজ হয়েছে। এর ফলে অপরাধী চক্রের আধিপত্য কমে এসেছে এবং দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে। সীমান্ত সড়কের সাথে প্রয়োজনীয় সেতু, কালভার্ট, আধুনিক ড্রেন ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল যেমন নিরাপদ হয়েছে, তেমনি তাদের জীবনযাত্রার মানও বহুগুণ বেড়েছে।

যোগাযোগের এই সুবিধা পার্বত্য এলাকার আর্থসামাজিক চিত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। থুমপাড়ার স্থানীয় কার্বারী জানান, আগে যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় রাজস্থলী, চন্দ্রঘোনা কিংবা চট্টগ্রামে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন ছিল। সড়ক নির্মাণের ফলে এখন তাদের উৎপাদিত কলা, আদা, হলুদসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য খুব সহজেই ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে সরবরাহ করা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও জীবনমানের উন্নয়ন সড়ক নির্মাণের ফলে বদলে গেছে স্থানীয় জুমচাষী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জীবন।

সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের বাইরেও জনকল্যাণমূলক নানান পদক্ষে নিয়েছে ২৬ ইসিবি। এ পর্যন্ত তারা ৩টি যাত্রী ছাউনি, ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৯টি নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করেছে। পরিবেশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে পুরো অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির ৭০ হাজার ৬৮০টি ফলজ ও বনজ চারা রোপণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়া বৌদ্ধ বিহার সংস্কারের জন্য আট বান টিন অনুদান দেওয়া হয়। ২৬ ইসিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল কামরুল আল মাসুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সাহায্য হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে সাইচল ক্যাম্পের কমান্ডার ও ব্যাটালিয়নের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়ার বৌদ্ধ বিহারটি সংস্কার কাজের জন্য ২৬ ইসিবির পক্ষ থেকে আট বান টিন অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়াও সাইচল ক্যাম্পের কমান্ডারসহ ২৬ ইসিবির সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও কাজ করছে ব্যাটালিয়নটি। থুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি সেখানকার দুজন শিক্ষকের বেতনের দায়িত্ব নিয়েছে ২৬ ইসিবি। সেখানে এবং জুরাছড়ি উপজেলার বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ তৈরি, সোলার প্যানেল, ফ্যান, জার্সি ও ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এছাড়া থুমপাড়ার ক্যানসার আক্রান্ত অধিবাসী অমরধন চাকমাকে ঢাকার সিএমএইচ-এ চিকিৎসা প্রদান ও চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ বহন করে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে এনেছে ২৬ ইসিবি। সব মিলিয়ে ২৬ ইসিবি পার্বত্য জনপদে নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে আস্থার এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠেছে। দুর্গম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির দুজন শিক্ষকের বেতন-ভাতার যাবতীয় দায়িত্বও কাঁধে নিয়েছে ২৬ ইসিবি। কোমলমতি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য থুমপাড়ায় একটি সুপরিসর খেলার মাঠও তৈরি করে দিয়েছে সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার, সুপেয় পানি এবং সোলার সিস্টেম ফ্যানের ব্যবস্থা করে দিয়ে যে সহযোগিতা করেছেন এজন্য আমরা সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।’। থুমপাড়ার বাসিন্দা অমরধন চাকমা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। বিষয়টি ২৬ ইসিবির অধিনায়ককে জানানোর পর তিনি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেন এবং তার চিকিৎসা ঢাকার সিএমএইচ এ করানোর ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


পার্বত্য জনপদে যোগাযোগ ও উন্নয়নে বদল আনছে সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকাকে মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অন্তর্ভুক্ত ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২৬ ইসিবি)। প্রাকৃতিক দুর্বিপাক, পাহাড়ি ধস ও প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলা করে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলে সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়েছে এই প্রকৌশল ইউনিট। সামগ্রিকভাবে ২৬ ইসিবি শুধু একটি প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন হিসেবেই নয় বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের পিছিয়ে পড়া জনপদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও চিকিৎসায় আলো ছড়াতে এবং সর্বোপরি দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনা।

সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবি সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে রাজস্থলী প্রকল্প ক্যাম্প স্থাপনের মধ্য দিয়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় রাজস্থলী-দুমদুমিয়া-ফারুয়া-বিলাইছড়ি সাইচল-বড়থলি-থেগামুখ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ কাজ। মোট ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেগা প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৭৬ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্টের কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে শেষ হয়েছে। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ে বগাখালী থেকে করল্লাছড়ি পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। খুব শিগগিরই তৃতীয় ধাপে করল্লাছড়ি হতে থেগামুখ পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার এবং উদয়াবাদ হতে থলিপাড়া পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

সুরক্ষিত সীমান্ত অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যাতায়াত সহজ হয়েছে। এর ফলে অপরাধী চক্রের আধিপত্য কমে এসেছে এবং দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে। সীমান্ত সড়কের সাথে প্রয়োজনীয় সেতু, কালভার্ট, আধুনিক ড্রেন ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল যেমন নিরাপদ হয়েছে, তেমনি তাদের জীবনযাত্রার মানও বহুগুণ বেড়েছে।

যোগাযোগের এই সুবিধা পার্বত্য এলাকার আর্থসামাজিক চিত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। থুমপাড়ার স্থানীয় কার্বারী জানান, আগে যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় রাজস্থলী, চন্দ্রঘোনা কিংবা চট্টগ্রামে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন ছিল। সড়ক নির্মাণের ফলে এখন তাদের উৎপাদিত কলা, আদা, হলুদসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য খুব সহজেই ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে সরবরাহ করা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও জীবনমানের উন্নয়ন সড়ক নির্মাণের ফলে বদলে গেছে স্থানীয় জুমচাষী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জীবন।

সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের বাইরেও জনকল্যাণমূলক নানান পদক্ষে নিয়েছে ২৬ ইসিবি। এ পর্যন্ত তারা ৩টি যাত্রী ছাউনি, ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৯টি নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করেছে। পরিবেশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে পুরো অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির ৭০ হাজার ৬৮০টি ফলজ ও বনজ চারা রোপণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়া বৌদ্ধ বিহার সংস্কারের জন্য আট বান টিন অনুদান দেওয়া হয়। ২৬ ইসিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল কামরুল আল মাসুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সাহায্য হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে সাইচল ক্যাম্পের কমান্ডার ও ব্যাটালিয়নের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়ার বৌদ্ধ বিহারটি সংস্কার কাজের জন্য ২৬ ইসিবির পক্ষ থেকে আট বান টিন অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়াও সাইচল ক্যাম্পের কমান্ডারসহ ২৬ ইসিবির সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও কাজ করছে ব্যাটালিয়নটি। থুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি সেখানকার দুজন শিক্ষকের বেতনের দায়িত্ব নিয়েছে ২৬ ইসিবি। সেখানে এবং জুরাছড়ি উপজেলার বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ তৈরি, সোলার প্যানেল, ফ্যান, জার্সি ও ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এছাড়া থুমপাড়ার ক্যানসার আক্রান্ত অধিবাসী অমরধন চাকমাকে ঢাকার সিএমএইচ-এ চিকিৎসা প্রদান ও চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ বহন করে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে এনেছে ২৬ ইসিবি। সব মিলিয়ে ২৬ ইসিবি পার্বত্য জনপদে নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে আস্থার এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠেছে। দুর্গম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির দুজন শিক্ষকের বেতন-ভাতার যাবতীয় দায়িত্বও কাঁধে নিয়েছে ২৬ ইসিবি। কোমলমতি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য থুমপাড়ায় একটি সুপরিসর খেলার মাঠও তৈরি করে দিয়েছে সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার, সুপেয় পানি এবং সোলার সিস্টেম ফ্যানের ব্যবস্থা করে দিয়ে যে সহযোগিতা করেছেন এজন্য আমরা সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।’। থুমপাড়ার বাসিন্দা অমরধন চাকমা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। বিষয়টি ২৬ ইসিবির অধিনায়ককে জানানোর পর তিনি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেন এবং তার চিকিৎসা ঢাকার সিএমএইচ এ করানোর ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত