চট্টগ্রাম
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সাবেক নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুনের সদস্যপদ (রুকনিয়াত) বাতিল করেছে দলটি। রোববার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুমিল্লা মহানগরীর তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবদুল হালিম। দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের মোগলটুলীর ফারুকী হাউজ কার্যালয়ে সভা চলাকালীন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই দিন পর ১৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় নির্দেশে মহানগর শাখা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহানকে নিয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গত ২৬ অক্টোবর আমিরে জামায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই দুই নেতার রুকনিয়াত বাতিলের আদেশ দেওয়া হয়। কাজী দ্বীন মোহাম্মদ রবিবার দুপুরে বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, ‘এমন কিছু একটা হয়েছে। আপনি দলের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলের সঙ্গে কথা বলুন, তিনি বিস্তারিত বলতে পারবেন।’
এদিকে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলের কাছে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এই কঠোর সিদ্ধান্ত জামায়াতের সাংগঠনিক শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সাবেক নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুনের সদস্যপদ (রুকনিয়াত) বাতিল করেছে দলটি। রোববার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুমিল্লা মহানগরীর তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবদুল হালিম। দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের মোগলটুলীর ফারুকী হাউজ কার্যালয়ে সভা চলাকালীন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই দিন পর ১৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় নির্দেশে মহানগর শাখা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহানকে নিয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গত ২৬ অক্টোবর আমিরে জামায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই দুই নেতার রুকনিয়াত বাতিলের আদেশ দেওয়া হয়। কাজী দ্বীন মোহাম্মদ রবিবার দুপুরে বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, ‘এমন কিছু একটা হয়েছে। আপনি দলের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলের সঙ্গে কথা বলুন, তিনি বিস্তারিত বলতে পারবেন।’
এদিকে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলের কাছে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এই কঠোর সিদ্ধান্ত জামায়াতের সাংগঠনিক শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
