খুলনা
‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস (সিজন-২) উদ্বোধন করতে বৃহস্পতিবার খুলনা আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে গোটা খুলনায় বইছে উৎসবের হাওয়া। এই উপলক্ষ্যে বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে একটি প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসব্রিফিংয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম এমপি বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে ক্রীড়াকে ভবিষ্যতে পেশা হিসেবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। তরুণদের সঠিকভাবে গাইড করতে পারলে তারা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
হুইপ রকিবুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে খুলনা অঞ্চলে উন্নয়নের জোয়ার শুরু হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ইতিমধ্যে বন্ধ মিলগুলো চালু করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করেছে। পাশাপাশি শিল্পায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নেও প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ নিয়েছেন। মোংলা বন্দরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন, যার সাথে খুলনার উন্নয়ন সরাসরি জড়িত। অতীতে খুলনা ‘স্পোর্টস সিটি’ হিসেবে পরিচিত ছিল এবং সেই ঐতিহ্য ফেরাতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান জানান, এবারের আসরে অংশগ্রহণের জন্য প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার জন অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন, যেখানে প্রথম আসরে এই সংখ্যা ছিল মাত্র এক লাখ ৬৮ হাজার। তিনি জানান, এবারের আসরটি ১০টি ইভেন্ট নিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির সরকারি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং এ বছরই এক হাজার ইউনিয়নে এই কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া চলমান অর্থবছরে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের উন্নয়ন এবং জেলা স্টেডিয়ামের অবশিষ্ট গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রেসব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, কেডিএর চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় হুইপ রকিবুল ইসলাম, সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান, বিভাগীয় কমিশনার, কেডিএ চেয়ারম্যান, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস (সিজন-২) উদ্বোধন করতে বৃহস্পতিবার খুলনা আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে গোটা খুলনায় বইছে উৎসবের হাওয়া। এই উপলক্ষ্যে বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে একটি প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসব্রিফিংয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম এমপি বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে ক্রীড়াকে ভবিষ্যতে পেশা হিসেবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। তরুণদের সঠিকভাবে গাইড করতে পারলে তারা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
হুইপ রকিবুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে খুলনা অঞ্চলে উন্নয়নের জোয়ার শুরু হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ইতিমধ্যে বন্ধ মিলগুলো চালু করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করেছে। পাশাপাশি শিল্পায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নেও প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ নিয়েছেন। মোংলা বন্দরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন, যার সাথে খুলনার উন্নয়ন সরাসরি জড়িত। অতীতে খুলনা ‘স্পোর্টস সিটি’ হিসেবে পরিচিত ছিল এবং সেই ঐতিহ্য ফেরাতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান জানান, এবারের আসরে অংশগ্রহণের জন্য প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার জন অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন, যেখানে প্রথম আসরে এই সংখ্যা ছিল মাত্র এক লাখ ৬৮ হাজার। তিনি জানান, এবারের আসরটি ১০টি ইভেন্ট নিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির সরকারি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং এ বছরই এক হাজার ইউনিয়নে এই কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া চলমান অর্থবছরে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের উন্নয়ন এবং জেলা স্টেডিয়ামের অবশিষ্ট গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রেসব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, কেডিএর চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় হুইপ রকিবুল ইসলাম, সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান, বিভাগীয় কমিশনার, কেডিএ চেয়ারম্যান, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
