ঢাকা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী অস্থিরতায় কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া এক বন্দীকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১১। বুধবার রাত আটটার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি আবু মোকারম (৪৪) একটি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার উত্তর বরকল গ্রামে এবং তার বাবার নাম আবু তালেব।
সিদ্দিকগঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৫ আগস্টের পরদিন ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর কারাগারে বন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। সে সময় বন্দীরা কারারক্ষীদের জিম্মি করে এবং বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি মই ব্যবহার করে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে জেল কর্তৃপক্ষ গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল। এ ঘটনায় জেল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল।
তদন্তকারী সংস্থার তথ্যমতে, পারিবারিক বিরোধের জেরে আবু মোকারম ও তার সহযোগীরা মিলে বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধানখেতে ফেলে রেখেছিল। ওই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই থেকে তিনি কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কারাগারে বন্দী ছিলেন। পলাতক থাকার দীর্ঘ সময় পর অবশেষে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন। পলায়নকারী আসামিদের মধ্যে আবু মোকারমও ছিলেন।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী অস্থিরতায় কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া এক বন্দীকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১১। বুধবার রাত আটটার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি আবু মোকারম (৪৪) একটি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার উত্তর বরকল গ্রামে এবং তার বাবার নাম আবু তালেব।
সিদ্দিকগঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৫ আগস্টের পরদিন ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর কারাগারে বন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। সে সময় বন্দীরা কারারক্ষীদের জিম্মি করে এবং বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি মই ব্যবহার করে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে জেল কর্তৃপক্ষ গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল। এ ঘটনায় জেল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল।
তদন্তকারী সংস্থার তথ্যমতে, পারিবারিক বিরোধের জেরে আবু মোকারম ও তার সহযোগীরা মিলে বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধানখেতে ফেলে রেখেছিল। ওই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই থেকে তিনি কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কারাগারে বন্দী ছিলেন। পলাতক থাকার দীর্ঘ সময় পর অবশেষে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন। পলায়নকারী আসামিদের মধ্যে আবু মোকারমও ছিলেন।
