আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার ইঙ্গিত এবং দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত হ্রাসের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম ৮২ সেন্টের মতো বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারের তেলের দামে। একদিকে ইরানে সামরিক হামলা চলছে, অন্যদিকে বড় ধরনের সংঘাত বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ১০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারসূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট বা ০.৮ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলার ৪২ সেন্টে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ক্রুড ডব্লিউটিআই-এর (ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট) দাম ব্যারেলপ্রতি ৫০ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ বেড়ে ৯৬ ডলার ৫৯ সেন্টে দাঁড়ায়। এর আগের কার্যদিবসে ইউক্রেন ও ইরান সম্পর্কিত সংঘাত নিরসনের আলোচনার আশবাদে ব্রেন্ট ক্রুডের দর চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদের কারণে তখন বাজারে দরপতন দেখা যায়।
রাজনৈতিক অঙ্গনে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের অবশিষ্ট সময়ে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের দ্বিমুখী অবস্থান বাজারের অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফিলিপ নোভার বাজার বিশ্লেষণ প্রধান প্রিয়াঙ্কা সচদেবা জানান, গত অক্টোবরে দাম বৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গেলেও হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহের ঝুঁকি রয়েই গেছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এখনো কাটেনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব জ্বালানি মজুত কমে যাওয়াও তেলের দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের সরাবরাহ ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমেছে, যদিও রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকরা ৮ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। একই সময়ে ডিজেলসহ পরিশোধিত জ্বালানির মজুত ১১ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল কমলেও গ্যাসোলিনের মজুত ১৪ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় মজুত সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করবে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার ইঙ্গিত এবং দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত হ্রাসের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম ৮২ সেন্টের মতো বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারের তেলের দামে। একদিকে ইরানে সামরিক হামলা চলছে, অন্যদিকে বড় ধরনের সংঘাত বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ১০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারসূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ সেন্ট বা ০.৮ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলার ৪২ সেন্টে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ক্রুড ডব্লিউটিআই-এর (ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট) দাম ব্যারেলপ্রতি ৫০ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ বেড়ে ৯৬ ডলার ৫৯ সেন্টে দাঁড়ায়। এর আগের কার্যদিবসে ইউক্রেন ও ইরান সম্পর্কিত সংঘাত নিরসনের আলোচনার আশবাদে ব্রেন্ট ক্রুডের দর চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদের কারণে তখন বাজারে দরপতন দেখা যায়।
রাজনৈতিক অঙ্গনে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের অবশিষ্ট সময়ে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের দ্বিমুখী অবস্থান বাজারের অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফিলিপ নোভার বাজার বিশ্লেষণ প্রধান প্রিয়াঙ্কা সচদেবা জানান, গত অক্টোবরে দাম বৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গেলেও হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহের ঝুঁকি রয়েই গেছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এখনো কাটেনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব জ্বালানি মজুত কমে যাওয়াও তেলের দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের সরাবরাহ ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমেছে, যদিও রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকরা ৮ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। একই সময়ে ডিজেলসহ পরিশোধিত জ্বালানির মজুত ১১ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল কমলেও গ্যাসোলিনের মজুত ১৪ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় মজুত সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করবে।
