আর্কাইভ
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ পরিচালনার পরপরই ইমাম শেখ খালেদ আবু জুমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ইসরাইলি বাহিনী। আল-আকসা মসজিদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানানো হয়েছে যে, জুমার খুতবা ও নামাজ শেষে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তবে তার ওপর মসজিদে প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপের শঙ্কা রয়েছে। জুমার খুতবায় শেখ খালেদ ফিলিস্তিনিদের ভূমিতে অবিচল থাকার গুরুত্ব এবং বর্তমানে চলমান জলপাই সংগ্রহের মৌসুম নিয়ে আলোকপাত করেছিলেন। পাশাপাশি, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননাকারী কিছু জনপরিচিত ব্যক্তির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। এ ছাড়া কয়েকজন জনপরিচিত ব্যক্তির এমন মন্তব্যের বিষয়েও কথা বলেন, যেগুলো মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননা করেছে বলে আল-আকসা মসজিদের এক্স অ্যাকাউন্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে জেরুজালেমের সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিলের প্রধান শেখ ইকরিমা সাবরির ওপর আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও দীর্ঘায়িত করেছে ইসরাইল। ৮৭ বছর বয়সি এই প্রবীণ ধর্মীয় নেতার ওপর আরোপিত নতুন আদেশ অনুযায়ী, তিনি ২০২৭ সালের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মসজিদে প্রবেশ করতে পারবেন না। কুদস প্রেসের তথ্যমতে, নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর এই আইনি নোটিশ তার আইনজীবীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরাইলি বাহিনীর বিধিনিষেধ ও নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেরুজালেমে প্রবেশের একটি প্রধান চেকপোস্ট বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ ফিলিস্তিনিদের চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে এবং শত শত মানুষ যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।
অন্যদিকে, হেবরনের কাছে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ছয়জন ইসরাইলি নাগরিক আহত হওয়ার পর ওই এলাকায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান এবং অবরোধ শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীরা এরই মধ্যে নিহত হয়েছেন। এর জের ধরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে কঠোর অবরোধ ও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পর পশ্চিম তীরজুড়েও ব্যাপক অবরোধ আরোপ করা হয়।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ পরিচালনার পরপরই ইমাম শেখ খালেদ আবু জুমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ইসরাইলি বাহিনী। আল-আকসা মসজিদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানানো হয়েছে যে, জুমার খুতবা ও নামাজ শেষে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তবে তার ওপর মসজিদে প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপের শঙ্কা রয়েছে। জুমার খুতবায় শেখ খালেদ ফিলিস্তিনিদের ভূমিতে অবিচল থাকার গুরুত্ব এবং বর্তমানে চলমান জলপাই সংগ্রহের মৌসুম নিয়ে আলোকপাত করেছিলেন। পাশাপাশি, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননাকারী কিছু জনপরিচিত ব্যক্তির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। এ ছাড়া কয়েকজন জনপরিচিত ব্যক্তির এমন মন্তব্যের বিষয়েও কথা বলেন, যেগুলো মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননা করেছে বলে আল-আকসা মসজিদের এক্স অ্যাকাউন্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে জেরুজালেমের সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিলের প্রধান শেখ ইকরিমা সাবরির ওপর আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও দীর্ঘায়িত করেছে ইসরাইল। ৮৭ বছর বয়সি এই প্রবীণ ধর্মীয় নেতার ওপর আরোপিত নতুন আদেশ অনুযায়ী, তিনি ২০২৭ সালের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মসজিদে প্রবেশ করতে পারবেন না। কুদস প্রেসের তথ্যমতে, নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর এই আইনি নোটিশ তার আইনজীবীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরাইলি বাহিনীর বিধিনিষেধ ও নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেরুজালেমে প্রবেশের একটি প্রধান চেকপোস্ট বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ ফিলিস্তিনিদের চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে এবং শত শত মানুষ যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।
অন্যদিকে, হেবরনের কাছে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ছয়জন ইসরাইলি নাগরিক আহত হওয়ার পর ওই এলাকায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান এবং অবরোধ শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীরা এরই মধ্যে নিহত হয়েছেন। এর জের ধরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে কঠোর অবরোধ ও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পর পশ্চিম তীরজুড়েও ব্যাপক অবরোধ আরোপ করা হয়।
