অন্যান্যঅন্যান্য

নেত্রকোনার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আনোয়ারুল হক

'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার'- আবহমান বাংলার এই শাশ্বত ঐতিহ্যকে আবারও সামনে নিয়ে এলেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মো. আনোয়ারুল হক। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি হিন্দু-মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য বার্তা দেন।   পরিদর্শন সূচী অনুযায়ী সংসদ সদস্য পর্যায়ক্রমে উপজেলার দেউলী পূজা মন্ডপ, বড়ি পূজা মন্ডপ, বালিজুরী পূজা মন্ডপ, বরুহাটী পূজা মন্ডপ, বৃ-কালিকা পূজা মন্ডপ, কাশতলা পূজা মন্ডপ, গড়মা পূজা মন্ডপ, রামভদ্রপুর পূজা মন্ডপ, বাউসী বাজার পূজা মন্ডপ ঠাকুরাকোনা, সতরশ্রী এবং সিংহের বাংলা পূজা মন্ডপ সমূহ ঘুরে দেখেন।   পরিদর্শন কালে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।   এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসন, জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বিভিন্ন পূজা মন্ডপে পৌঁছালে স্ব-স্ব পূজা মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাকে বরণ করে নেন।   মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এদেশে ধর্মের কোন ভেদাভেদ নেই। হিন্দু-মুসলিম সবাই একসাথে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। যে যার যার ধর্ম নির্দিধায় পালন করে যাচ্ছে। দুর্গাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রার্থনা হলেও এর ব্যাপকতার কারণে এটি আজ সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, এই দেশে হিন্দু ও মুসলমান একে অপরের ভাই, তাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার মধ্য দিয়েই যুগ যুগ ধরে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে।   তিনি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাংলাদেশের মানুষ, তাদের আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশে সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে পালন নিশ্চিত করেছেন। তার কঠোর নির্দেশনায় প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপে আমরা জনপ্রতিনিধিরা সচেতন রয়েছি। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত সচেতনতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।   পূজারি ও ভক্তদের প্রতি সুশৃঙ্খলভাবে উৎসব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পুরোহিতরা যেন তাদের পূজা অর্চনার কাজ সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন। দর্শনার্থীদের প্রতি তার পরমর্শ ছিল, তারা যেন সুশৃঙ্খলভাবে মণ্ডপে আসেন, অর্ঘ্য প্রদান, অঞ্জলি বা প্রণাম সেরে আবার সুন্দরভাবে ফিরে যান, যাতে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়। সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই উৎসব সুন্দর পরিণতি পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

Public Voice

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


নেত্রকোনার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আনোয়ারুল হক

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার'- আবহমান বাংলার এই শাশ্বত ঐতিহ্যকে আবারও সামনে নিয়ে এলেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মো. আনোয়ারুল হক। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি হিন্দু-মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য বার্তা দেন।   পরিদর্শন সূচী অনুযায়ী সংসদ সদস্য পর্যায়ক্রমে উপজেলার দেউলী পূজা মন্ডপ, বড়ি পূজা মন্ডপ, বালিজুরী পূজা মন্ডপ, বরুহাটী পূজা মন্ডপ, বৃ-কালিকা পূজা মন্ডপ, কাশতলা পূজা মন্ডপ, গড়মা পূজা মন্ডপ, রামভদ্রপুর পূজা মন্ডপ, বাউসী বাজার পূজা মন্ডপ ঠাকুরাকোনা, সতরশ্রী এবং সিংহের বাংলা পূজা মন্ডপ সমূহ ঘুরে দেখেন।   পরিদর্শন কালে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।   এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসন, জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বিভিন্ন পূজা মন্ডপে পৌঁছালে স্ব-স্ব পূজা মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাকে বরণ করে নেন।   মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এদেশে ধর্মের কোন ভেদাভেদ নেই। হিন্দু-মুসলিম সবাই একসাথে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। যে যার যার ধর্ম নির্দিধায় পালন করে যাচ্ছে। দুর্গাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রার্থনা হলেও এর ব্যাপকতার কারণে এটি আজ সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, এই দেশে হিন্দু ও মুসলমান একে অপরের ভাই, তাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার মধ্য দিয়েই যুগ যুগ ধরে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে।   তিনি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাংলাদেশের মানুষ, তাদের আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশে সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে পালন নিশ্চিত করেছেন। তার কঠোর নির্দেশনায় প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপে আমরা জনপ্রতিনিধিরা সচেতন রয়েছি। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত সচেতনতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।   পূজারি ও ভক্তদের প্রতি সুশৃঙ্খলভাবে উৎসব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পুরোহিতরা যেন তাদের পূজা অর্চনার কাজ সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন। দর্শনার্থীদের প্রতি তার পরমর্শ ছিল, তারা যেন সুশৃঙ্খলভাবে মণ্ডপে আসেন, অর্ঘ্য প্রদান, অঞ্জলি বা প্রণাম সেরে আবার সুন্দরভাবে ফিরে যান, যাতে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়। সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই উৎসব সুন্দর পরিণতি পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত