শিক্ষা
নেত্রকোনার পূর্বধলা সরকারি কলেজে সদ্য পদায়ন পাওয়া অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর বদলি ও পদায়ন সংক্রান্ত আদেশ দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরই বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক কারণে তাঁর পদায়ন আদেশ বাতিল করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের ক্রমিক নম্বর-০৪-এ উল্লেখিত অধ্যাপক (রসায়ন) মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে বদলি ও পদায়ন সংক্রান্ত আদেশের সংযুক্তি অংশটি প্রশাসনিক কারণে বাতিল করা হলো। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান।
এর আগে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। ওই আদেশের ভিত্তিতে গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজে যোগদান করেন। এ সময় তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পার না হতেই বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাঁর পদায়ন বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আকস্মিকভাবে পদায়ন বাতিলের ঘটনায় কলেজসংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের পর থেকে দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মাধ্যমে কলেজটির প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। দীর্ঘদিন পর একজন পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর পদায়নের মধ্য দিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষনির্ভরতার অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরই তাঁর পদায়ন আদেশ বাতিল হওয়ায় কলেজটির প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, একটি সরকারি কলেজে প্রশাসনিক নেতৃত্বের স্থায়িত্ব শিক্ষার পরিবেশ, একাডেমিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত। দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণের পর হঠাৎ পদায়ন বাতিল হলে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
তাদের মতে, জাতীয়করণকৃত কলেজগুলো শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; সংশ্লিষ্ট এলাকার উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এসব প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ও প্রশাসনিক অগ্রগতি পুরো এলাকার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। ফলে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ, বদলি বা পদায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর যোগদানের একদিন পরই পদায়ন বাতিলের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এ ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের প্রশ্ন, একজন অধ্যক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার পর মাত্র একদিনের ব্যবধানে কেন তাঁর পদায়ন বাতিল করতে হলো এবং এর প্রশাসনিক কারণ কী—তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে পদায়ন বাতিলের কারণ হিসেবে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রজ্ঞাপনে দেওয়া হয়নি।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, শিক্ষার পরিবেশ এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। একটি এলাকার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে সরকারি কলেজের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা না থাকলে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার্থীদের ওপর পড়তে পারে।
তাদের মতে, অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালনের জন্য যাকে পদায়ন করা হবে, তাঁর বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত দ্রুত, স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো অনিয়ম বা প্রশাসনিক অসঙ্গতির অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি যারা কোনো অনিয়মে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
পূর্বধলা সরকারি কলেজের মতো দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষনির্ভর একটি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী প্রশাসনিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহল।
তাদের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ, শিক্ষার মান এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনার পূর্বধলা সরকারি কলেজে সদ্য পদায়ন পাওয়া অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর বদলি ও পদায়ন সংক্রান্ত আদেশ দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরই বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক কারণে তাঁর পদায়ন আদেশ বাতিল করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের ক্রমিক নম্বর-০৪-এ উল্লেখিত অধ্যাপক (রসায়ন) মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে বদলি ও পদায়ন সংক্রান্ত আদেশের সংযুক্তি অংশটি প্রশাসনিক কারণে বাতিল করা হলো। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহান।
এর আগে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। ওই আদেশের ভিত্তিতে গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজে যোগদান করেন। এ সময় তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পার না হতেই বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাঁর পদায়ন বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আকস্মিকভাবে পদায়ন বাতিলের ঘটনায় কলেজসংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের পর থেকে দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মাধ্যমে কলেজটির প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। দীর্ঘদিন পর একজন পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর পদায়নের মধ্য দিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষনির্ভরতার অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরই তাঁর পদায়ন আদেশ বাতিল হওয়ায় কলেজটির প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, একটি সরকারি কলেজে প্রশাসনিক নেতৃত্বের স্থায়িত্ব শিক্ষার পরিবেশ, একাডেমিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত। দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণের পর হঠাৎ পদায়ন বাতিল হলে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
তাদের মতে, জাতীয়করণকৃত কলেজগুলো শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; সংশ্লিষ্ট এলাকার উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এসব প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ও প্রশাসনিক অগ্রগতি পুরো এলাকার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। ফলে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ, বদলি বা পদায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীর যোগদানের একদিন পরই পদায়ন বাতিলের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এ ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের প্রশ্ন, একজন অধ্যক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার পর মাত্র একদিনের ব্যবধানে কেন তাঁর পদায়ন বাতিল করতে হলো এবং এর প্রশাসনিক কারণ কী—তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে পদায়ন বাতিলের কারণ হিসেবে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রজ্ঞাপনে দেওয়া হয়নি।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, শিক্ষার পরিবেশ এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। একটি এলাকার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে সরকারি কলেজের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা না থাকলে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার্থীদের ওপর পড়তে পারে।
তাদের মতে, অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালনের জন্য যাকে পদায়ন করা হবে, তাঁর বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত দ্রুত, স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো অনিয়ম বা প্রশাসনিক অসঙ্গতির অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি যারা কোনো অনিয়মে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
পূর্বধলা সরকারি কলেজের মতো দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষনির্ভর একটি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী প্রশাসনিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহল।
তাদের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ, শিক্ষার মান এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।
