সারাদেশসারাদেশ

আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশ হাজার তালবীজ রোপণ কর্মসূচি শুরু

আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশ হাজার তালবীজ রোপণ কর্মসূচি শুরু
ছোট বড় বিভিন্ন বয়সী স্বেচ্ছাসেবীরা তাল বিশ রক্ষন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

ধুনট উপজেলায় চলতি মৌসুমে বিশ হাজার তাল বীজ রোপণের কর্মসূচি শুরু করেছে ‘আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থা’। শনিবার সকালে শেরপুর উপজেলার রনবীরবালা ঘাট থেকে ধুনট উপজেলার মাঠপাড়া গ্রাম পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে তাল বীজ রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

তাল বীজ রোপণ উৎসবে শেরপুর ও ধুনট উপজেলার শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। এদিন আগে থেকে সংগ্রহ করা কয়েক হাজার তাল বীজ রোপণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে চলতি মৌসুমে নির্ধারিত ২০ হাজার তাল বীজ রোপণ করা হবে বলে আয়োজকেরা জানান।

এই কর্মসূচি সফল করতে সহযোগী সংগঠন হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া), বর্ণ বিলাস পাঠাগার ও সংগ্রহশালা, লাল ভালোবাসা এবং ধুনট সেন্ট্রাল লাইব্রেরি।

তালবীজ রোপণ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থা’র সভাপতি আঁখিনূর জামান বকুল, সাধারণ সম্পাদক মোনাজ্জেমুল ইসলাম সুমন, বর্ণ বিলাস পাঠাগার ও সংগ্রহশালার প্রতিষ্ঠাতা সাদিকুল বাশার শিশির এবং বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও পরিবেশকর্মী এস এম আরিফুল আমিন প্লাবন। 

তাল বীজ রোপণ উৎসব ২০২৬-এর সমন্বয়কারী আঁখিনূর জামান বকুল বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে তাল বীজ রোপণ করে আসছি। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এটি আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগ। চলতি বছর আমরা ২০ হাজার তাল বীজ রোপণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আমাদের এলাকায় তালগাছ বিলুপ্তপ্রায়। তাই আমরা পুরো ধুনটে তালগাছ রোপণ করতে চাই।’ আমরা প্রকৃতি ও পরিবেশের সুরক্ষায় সাংগঠনিকভাবে তাল বীজ রোপণের পাশাপাশি প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৃক্ষরোপণ করে থাকি। আমাদের স্বেচ্ছাসেবীগণ প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ধুনট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নত জাতের আমের চারা উপহার স্বরুপ রোপণ করে দিয়ে আসে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০০০ পিছ আমের চারা উপহার দিয়েছি। এছাড়াও চলতি মৌসুমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বকুল, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, চেরি ও কাঠ বাদাম গাছের প্রায় ১০০০ পিছ চারা রোপণ করেছি।

বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও পরিবেশকর্মী এস এম আরিফুল আমিন প্লাবন বলেন, ‘বাওয়া বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি পরিবেশ নিয়েও কাজ করছে। কারণ বন্যপ্রাণীর সঠিক সংরক্ষণ ও নিরাপদ আবাসস্থলের জন্য সুস্থ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

Public Voice

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশ হাজার তালবীজ রোপণ কর্মসূচি শুরু

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ধুনট উপজেলায় চলতি মৌসুমে বিশ হাজার তাল বীজ রোপণের কর্মসূচি শুরু করেছে ‘আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থা’। শনিবার সকালে শেরপুর উপজেলার রনবীরবালা ঘাট থেকে ধুনট উপজেলার মাঠপাড়া গ্রাম পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে তাল বীজ রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।


তাল বীজ রোপণ উৎসবে শেরপুর ও ধুনট উপজেলার শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। এদিন আগে থেকে সংগ্রহ করা কয়েক হাজার তাল বীজ রোপণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে চলতি মৌসুমে নির্ধারিত ২০ হাজার তাল বীজ রোপণ করা হবে বলে আয়োজকেরা জানান।


এই কর্মসূচি সফল করতে সহযোগী সংগঠন হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া), বর্ণ বিলাস পাঠাগার ও সংগ্রহশালা, লাল ভালোবাসা এবং ধুনট সেন্ট্রাল লাইব্রেরি।


তালবীজ রোপণ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থা’র সভাপতি আঁখিনূর জামান বকুল, সাধারণ সম্পাদক মোনাজ্জেমুল ইসলাম সুমন, বর্ণ বিলাস পাঠাগার ও সংগ্রহশালার প্রতিষ্ঠাতা সাদিকুল বাশার শিশির এবং বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও পরিবেশকর্মী এস এম আরিফুল আমিন প্লাবন। 


তাল বীজ রোপণ উৎসব ২০২৬-এর সমন্বয়কারী আঁখিনূর জামান বকুল বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে আমরা ধুনটবাসী কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে তাল বীজ রোপণ করে আসছি। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এটি আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগ। চলতি বছর আমরা ২০ হাজার তাল বীজ রোপণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আমাদের এলাকায় তালগাছ বিলুপ্তপ্রায়। তাই আমরা পুরো ধুনটে তালগাছ রোপণ করতে চাই।’ আমরা প্রকৃতি ও পরিবেশের সুরক্ষায় সাংগঠনিকভাবে তাল বীজ রোপণের পাশাপাশি প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৃক্ষরোপণ করে থাকি। আমাদের স্বেচ্ছাসেবীগণ প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ধুনট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নত জাতের আমের চারা উপহার স্বরুপ রোপণ করে দিয়ে আসে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০০০ পিছ আমের চারা উপহার দিয়েছি। এছাড়াও চলতি মৌসুমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বকুল, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, চেরি ও কাঠ বাদাম গাছের প্রায় ১০০০ পিছ চারা রোপণ করেছি।


বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও পরিবেশকর্মী এস এম আরিফুল আমিন প্লাবন বলেন, ‘বাওয়া বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি পরিবেশ নিয়েও কাজ করছে। কারণ বন্যপ্রাণীর সঠিক সংরক্ষণ ও নিরাপদ আবাসস্থলের জন্য সুস্থ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত