সারাদেশ
বিকাশ-নগদে লেনদেন, নীরব প্রশাসন—হুমকিতে যুবসমাজ।
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইন জুয়া বা বেটিং। উপজেলার স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ এই নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে জুয়ার এই 'ভার্চুয়াল বিষ' থেকে বাদ যাচ্ছেন না শ্রমজীবী মানুষও। সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন অনেকে, ভেঙে পড়ছে পারিবারিক শান্তি। অনলাইন জুয়া দেশে নিষিদ্ধ হলেও এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তৎপরতা নেই বললেই চলে—এমনটাই জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
একসময় জুয়া বলতে বোঝাত তাসের আড্ডা কিংবা গোপন আসর। এখন তা রূপ নিয়েছে স্মার্টফোনের মোবাইল অ্যাপে। একশ্রেণির চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে জুয়ায় জড়াচ্ছে, বিকাশ-নগদের মাধ্যমে লেনদেন করে গড়ে তুলেছে ভয়ংকর অনলাইন বেটিং সিন্ডিকেট। কিশোর থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষ জড়িয়ে পড়ছেন এই নেশায়, বাদ পড়ছে না স্কুলশিক্ষার্থীরাও। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলায় শত শত মানুষ বেটিং বা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত, যাদের অধিকাংশই স্কুল-কলেজপড়ুয়া, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তরুণ। মোটা অঙ্কের টাকার লোভে সর্বস্ব খুইয়ে দেউলিয়া হয়েছেন অনেকে, যার জেরে জড়িয়ে পড়ছেন বিভিন্ন অপরাধে।
জানা গেছে, সিকে৪৪৪, সিভি৬৬৬, নগদ৮৮, ক্রিকেয়া, ওয়ানএক্সবেট, বাবু৮৮, লাইনবেটসহ একাধিক দেশি-বিদেশি বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে চলছে এই জুয়ার কারবার। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে সহজে টাকা জমা ও উত্তোলনের সুযোগ থাকায় দ্রুত বাড়ছে আসক্তি, আর প্রতিদিন উপজেলায় লাখ লাখ টাকা লেনদেন হচ্ছে এই জুয়াকে ঘিরে।
এই কারবারের পেছনে সক্রিয় রয়েছে শক্তিশালী এজেন্ট সিন্ডিকেট—মাস্টার এজেন্ট, সাব-এজেন্ট ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে পুরো নেটওয়ার্ক। খেলোয়াড় হারলেই কমিশন পান এজেন্টরা, ফলে ঝুঁকিহীনভাবে ঘরে বসে, রাস্তার মোড়ে কিংবা দোকানে বসেই তরুণরা চালিয়ে যাচ্ছেন জুয়া। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রলোভনসংকুল বিজ্ঞাপনে একটি ক্লিকেই মিলছে এসব অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের সন্ধান। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ না দিয়ে ক্রমেই মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে শিক্ষার মানে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেকে জড়িয়ে পড়ছেন চুরি, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে।
এক অভিভাবক এই প্রতিবেদককে বলেন, তার ছেলে পড়াশোনার পরিবর্তে সারাদিন মোবাইলে জুয়ার অ্যাপে সময় কাটায়, বারবার বোঝানোর পরও সে ফিরছে না এই আসক্তি থেকে। একজন স্থানীয় শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে—পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যাচ্ছে, মনোযোগে দেখা দিচ্ছে ঘাটতি।
উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের শ্যামবাড়ী গ্রামের এক যুবক জানান, শুরুতে এক-দুইবার জিতে সামান্য লাভ হওয়ায় অনেকে বেশি টাকা রিচার্জ করেন, পরে বড় অঙ্কের আশায় হেরে সর্বস্ব খোয়ান। এরপর রিচার্জের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে। জুয়ায় সর্বস্বান্ত হওয়া ধুনট বাজারের এক তরুণ ব্যবসায়ী বলেন, আগে ডলারে খেলতে হতো বলে অংশগ্রহণকারী কম ছিল, এখন বিকাশের মাধ্যমে সহজেই টাকা পাঠিয়ে খেলা যাওয়ায় লোভে পড়ে অনেকেই আসক্ত হয়ে পড়ছেন।
জুয়ায় আসক্তদের নিয়ে চরম অশান্তিতে রয়েছে উপজেলার বহু পরিবার। টাকার জন্য জুয়াড়িরা স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছে ধারকর্জ করছেন, তা পরিশোধ করতে না পারায় পরিবারকে পড়তে হচ্ছে হেনস্তার মুখে। এই জুয়ার নেটওয়ার্কের বড় শক্তি সহজলভ্য প্রযুক্তি ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। একাধিক এমএফএস এজেন্ট জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক দিনে একাধিকবার বড় অঙ্কের টাকা ক্যাশ ইন-আউট করেন, যা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলেই তাদের ধারণা। স্থানীয় মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টরা জানান, রাত হলেই জুয়াড়িরা বিকাশ, নগদ, রকেটের মাধ্যমে টাকার জন্য বিরক্ত করেন, অনেকে টাকা নিয়ে ফেরতও দিতে চান না।
বিশ্বহরিগাছা বাজারের ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মী রবিউল ইসলাম রবি বলেন, শুরুতে না বুঝেই তিনি রাতে টাকা দিতেন, পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন সেই টাকা অবৈধ জুয়া খেলার জন্যই নেওয়া হতো। টাকা দিতে না পেরে অনেকে মোবাইল ফোন বিক্রি করে চলে যান বলেও জানান তিনি। এ কারণে রাতে আর কারও সঙ্গে নগদ-বিকাশে লেনদেন করেন না বলে জানান তিনি।
অনলাইনে জুয়া খেলা ও মাদক সেবনে ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে যুবসমাজ, অথচ এ বিষয়ে পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, "[এখানে তার বক্তব্য বসবে]"
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে পুলিশের ভূমিকা জানতে চাইলে ধুনট থানার ওসি মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, থানা পুলিশ নিয়মিত এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে কারো কাছে নির্দিষ্ট তথ্য থাকলে থানা কে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হল পাশাপাশি এ ধরনের অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সচেতন মহল মনে করছেন, অনলাইন জুয়ার এই বিস্তার রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ধুনট উপজেলার তরুণ প্রজন্ম আরও গভীর সংকটে পড়বে। এ জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সতর্ক তদারকি এবং অভিভাবক-শিক্ষকদের সম্মিলিত সচেতনতামূলক উদ্যোগ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিকাশ-নগদে লেনদেন, নীরব প্রশাসন—হুমকিতে যুবসমাজ।
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইন জুয়া বা বেটিং। উপজেলার স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ এই নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে জুয়ার এই 'ভার্চুয়াল বিষ' থেকে বাদ যাচ্ছেন না শ্রমজীবী মানুষও। সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন অনেকে, ভেঙে পড়ছে পারিবারিক শান্তি। অনলাইন জুয়া দেশে নিষিদ্ধ হলেও এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তৎপরতা নেই বললেই চলে—এমনটাই জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
একসময় জুয়া বলতে বোঝাত তাসের আড্ডা কিংবা গোপন আসর। এখন তা রূপ নিয়েছে স্মার্টফোনের মোবাইল অ্যাপে। একশ্রেণির চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে জুয়ায় জড়াচ্ছে, বিকাশ-নগদের মাধ্যমে লেনদেন করে গড়ে তুলেছে ভয়ংকর অনলাইন বেটিং সিন্ডিকেট। কিশোর থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষ জড়িয়ে পড়ছেন এই নেশায়, বাদ পড়ছে না স্কুলশিক্ষার্থীরাও। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলায় শত শত মানুষ বেটিং বা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত, যাদের অধিকাংশই স্কুল-কলেজপড়ুয়া, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তরুণ। মোটা অঙ্কের টাকার লোভে সর্বস্ব খুইয়ে দেউলিয়া হয়েছেন অনেকে, যার জেরে জড়িয়ে পড়ছেন বিভিন্ন অপরাধে।
জানা গেছে, সিকে৪৪৪, সিভি৬৬৬, নগদ৮৮, ক্রিকেয়া, ওয়ানএক্সবেট, বাবু৮৮, লাইনবেটসহ একাধিক দেশি-বিদেশি বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে চলছে এই জুয়ার কারবার। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে সহজে টাকা জমা ও উত্তোলনের সুযোগ থাকায় দ্রুত বাড়ছে আসক্তি, আর প্রতিদিন উপজেলায় লাখ লাখ টাকা লেনদেন হচ্ছে এই জুয়াকে ঘিরে।
এই কারবারের পেছনে সক্রিয় রয়েছে শক্তিশালী এজেন্ট সিন্ডিকেট—মাস্টার এজেন্ট, সাব-এজেন্ট ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে পুরো নেটওয়ার্ক। খেলোয়াড় হারলেই কমিশন পান এজেন্টরা, ফলে ঝুঁকিহীনভাবে ঘরে বসে, রাস্তার মোড়ে কিংবা দোকানে বসেই তরুণরা চালিয়ে যাচ্ছেন জুয়া। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রলোভনসংকুল বিজ্ঞাপনে একটি ক্লিকেই মিলছে এসব অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের সন্ধান। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ না দিয়ে ক্রমেই মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে শিক্ষার মানে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেকে জড়িয়ে পড়ছেন চুরি, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে।
এক অভিভাবক এই প্রতিবেদককে বলেন, তার ছেলে পড়াশোনার পরিবর্তে সারাদিন মোবাইলে জুয়ার অ্যাপে সময় কাটায়, বারবার বোঝানোর পরও সে ফিরছে না এই আসক্তি থেকে। একজন স্থানীয় শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে—পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যাচ্ছে, মনোযোগে দেখা দিচ্ছে ঘাটতি।
উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের শ্যামবাড়ী গ্রামের এক যুবক জানান, শুরুতে এক-দুইবার জিতে সামান্য লাভ হওয়ায় অনেকে বেশি টাকা রিচার্জ করেন, পরে বড় অঙ্কের আশায় হেরে সর্বস্ব খোয়ান। এরপর রিচার্জের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে। জুয়ায় সর্বস্বান্ত হওয়া ধুনট বাজারের এক তরুণ ব্যবসায়ী বলেন, আগে ডলারে খেলতে হতো বলে অংশগ্রহণকারী কম ছিল, এখন বিকাশের মাধ্যমে সহজেই টাকা পাঠিয়ে খেলা যাওয়ায় লোভে পড়ে অনেকেই আসক্ত হয়ে পড়ছেন।
জুয়ায় আসক্তদের নিয়ে চরম অশান্তিতে রয়েছে উপজেলার বহু পরিবার। টাকার জন্য জুয়াড়িরা স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছে ধারকর্জ করছেন, তা পরিশোধ করতে না পারায় পরিবারকে পড়তে হচ্ছে হেনস্তার মুখে। এই জুয়ার নেটওয়ার্কের বড় শক্তি সহজলভ্য প্রযুক্তি ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। একাধিক এমএফএস এজেন্ট জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক দিনে একাধিকবার বড় অঙ্কের টাকা ক্যাশ ইন-আউট করেন, যা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলেই তাদের ধারণা। স্থানীয় মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টরা জানান, রাত হলেই জুয়াড়িরা বিকাশ, নগদ, রকেটের মাধ্যমে টাকার জন্য বিরক্ত করেন, অনেকে টাকা নিয়ে ফেরতও দিতে চান না।
বিশ্বহরিগাছা বাজারের ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মী রবিউল ইসলাম রবি বলেন, শুরুতে না বুঝেই তিনি রাতে টাকা দিতেন, পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন সেই টাকা অবৈধ জুয়া খেলার জন্যই নেওয়া হতো। টাকা দিতে না পেরে অনেকে মোবাইল ফোন বিক্রি করে চলে যান বলেও জানান তিনি। এ কারণে রাতে আর কারও সঙ্গে নগদ-বিকাশে লেনদেন করেন না বলে জানান তিনি।
অনলাইনে জুয়া খেলা ও মাদক সেবনে ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে যুবসমাজ, অথচ এ বিষয়ে পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, "[এখানে তার বক্তব্য বসবে]"
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে পুলিশের ভূমিকা জানতে চাইলে ধুনট থানার ওসি মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, থানা পুলিশ নিয়মিত এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে কারো কাছে নির্দিষ্ট তথ্য থাকলে থানা কে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হল পাশাপাশি এ ধরনের অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সচেতন মহল মনে করছেন, অনলাইন জুয়ার এই বিস্তার রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ধুনট উপজেলার তরুণ প্রজন্ম আরও গভীর সংকটে পড়বে। এ জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সতর্ক তদারকি এবং অভিভাবক-শিক্ষকদের সম্মিলিত সচেতনতামূলক উদ্যোগ।
